বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ণ
Manual4 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual7 Ad Code
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে দলটির নতুন চেয়ারম্যানের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের হাইকমিশনার।
বিএনপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তাদের সাক্ষাৎকারে ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে।
সাক্ষাতে থাকা বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবীর পরে বলেন, “ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিএনপির চেয়ারপারসনের জন্য যে শোকবার্তা দিয়েছেন আমাদের চেয়ারম্যান সাহেবকে…ওই চিঠিতে বলছেন যে তারেক রহমানের নেতৃত্ব ‘নয়া দিগন্ত’ ‘নিউ ফেইজ অব রিলেশন’ হবে।
“আমরা আশা করি, ভালো আলোচনা হয়েছে। কীভাবে দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়া যায়, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ অবশ্যই আছে, সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে আমরা এগিয়ে যাব।”
Manual1 Ad Code
হুমায়ুন কবীর বলেন, “বিএনপি চেয়ারম্যানের নীতি হচ্ছে এই অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা। সব নিয়ে আলোচনা হয়েছে, তবে ডিটেইলস নয়। কারণ এটা একটা সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ।”
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন ও প্রেস সচিব সালেহ শিবলীও সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে শুক্রবার তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঢাকায় পাকিস্তানের হাই কমিশনার ইমরান হায়দার। এর পরদিন দেখা করলেন ভারতের হাই কমিশনার।
এর আগে শনিবার বিকাল ৩টায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস আইভাবস সাক্ষাৎ করেন।
রাতে দেখা করেন মিশর ও তুরস্কের রাষ্ট্রদূত। তারা আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করেন নিজ নিজ দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন। এ সাক্ষাতে বিএনপি মহাসচিবসহ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদ ও যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবীর প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।
এসব সাক্ষাতের পরে হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘‘আলোচনাগুলোতে উনারা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্য শোকবার্তা নিজ নিজ সরকারের পক্ষ থেকে দিয়েছেন। দ্বি-পাক্ষিক আলোচনা হয়েছে।
Manual8 Ad Code
“সরকার গঠন করলে কী ধরনের পরিকল্পনা বিএনপি চেয়ারম্যানের আছে, তা উনি তাদের বলেছেন। আন্তর্জাতিক নীতি কী হবে, দ্বি-পাক্ষিক কী ধরনের হবে, সেগুলো নিয়ে সৌহার্দমূলক পরিবেশে আলোচনা হয়েছে।”