ভারতের সেনা প্রধানসহ শীর্ষ সেনা কর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের বৈঠক
ভারতের সেনা প্রধানসহ শীর্ষ সেনা কর্তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের বৈঠক
editor
প্রকাশিত এপ্রিল ২, ২০২৬, ১০:৪৬ অপরাহ্ণ
Manual6 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
Manual3 Ad Code
ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে দিল্লিতে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ।
বৃহস্পতিবার (০২রা এপ্রিল) সেনাপ্রধানের অফিসে এই বৈঠক হয়। বৈঠকে জেনারেল দ্বিবেদী ছাড়াও ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
Manual4 Ad Code
ভারতীয় সেনাবাহিনীর অ্যাডিশনাল ডাইরেক্টরেট জেনারেল অফ পাবলিক ইনফর্মেশনের অফিস অফিস সমাজমাধ্যমে এক পোস্টে জানিয়েছে, বৈঠকে দু দেশের সেনাবাহিনীর যৌথ প্রশিক্ষণ, দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে বিশদ আলোচনা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা সুসংহত করার লক্ষ্যে দু দেশের মধ্যে সহযোগিতা বিস্তৃত করার সুযোগগুলি খতিয়ে দেখেন।
সেনা তথ্য বিভাগের পোস্টে ভারতের সেনাপ্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশের হাই কমিশনারের বৈঠকের একাধিক ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে, এই বৈঠকের গুরুত্বের বার্তা বহন করছে বলে মনে করা হচ্ছে।
রিয়াজ হামিদুল্লাহ এক বছরের বেশি হল ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের দায়িত্ব পালন করছেন। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ভারতের গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ, বৈঠক ইত্যাদির সুযোগ সীমিত ছিল নয়াদিল্লির অবস্থানের কারণে। অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদী সরকার রুটিন কূটনৈতিক সম্পর্ক রক্ষা করে গিয়েছে। ভারত সরকার অপেক্ষা করছিল বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকারের জন্য।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভারত-পূর্ব ঘোষণা মত এগিয়ে নিয়ে যেতে তৎপর হয়েছে। অন্যদিকে ঢাকার তরফেও ইতিবাচক সাড়া মিলতে শুরু করেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। বাংলাদেশের হাইকমিশনার গত মাসে ভারতের শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গয়াল এবং বিদেশ মন্ত্রী এস জয় শঙ্করের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন। গত ২৬ মার্চ দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার অফিসে সেদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিং এবং বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি সহ সামরিক ও অসামরিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আগামী ৭ এপ্রিল বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রী খলিলুর রহমান ভারত সফরে আসছেন। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বাংলাদেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ছিলেন। তাঁর সফরে দু’দেশের নিরাপত্তা বিষয়ে বিশদ আলোচনা হওয়ার কথা। তার আগে ভারতের সেনাপ্রধানের সঙ্গে বাংলাদেশের হাইকমিশনারের বৈঠককে কূটনৈতিক মহল বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকার ভারতের সঙ্গে অস্ত্র কেনার একটি চুক্তি বাতিল করেছিল। ভারতের তরফে সেই চুক্তি ফের কার্যকর করার প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে বাংলাদেশকে। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের আলোচনায় নিরাপত্তার পাশাপাশি অস্ত্র বিক্রির বিষয়টিও প্রাধান্য পেতে পারে।তথ্য সুএঃ দ্যা ওয়াল