যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই দিনের সফরে চীনে পৌঁছেছেন। এটি গত দশ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো শীর্ষ নেতার চীন সফর।
Manual3 Ad Code
বুধবার (১৩ মে) এয়ারফোর্স ওয়ানে করে বেইজিং পৌঁছান মি.ট্রাম্প। সফরকালে তিনি চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
যদিও এই সফরটি গত মার্চে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ফেব্রুয়ারির শেষে ইরানে হামলা করায় সফরটি পিছিয়ে যায়।
ইরান যুদ্ধ এবং এর সমাধানে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে চীনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা তাদের মধ্যকার আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণভাবে উঠে আসতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ার আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরান ইস্যুতে তার শি জিনপিংয়ের সহায়তার প্রয়োজন নেই।
Manual4 Ad Code
বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং তাইওয়ান ইস্যুও ট্রাম্পের এ সফরে আলোচনায় গুরুত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ডোনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যাল-এ লিখেছেন, তিনি চীনকে বড় মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জন্য তাদের বাজার আরও উন্মুক্ত করার আহ্বান জানাবেন। এসব কোম্পানির শীর্ষ নির্বাহীরাও তার সফরসঙ্গী হিসেবে আছেন।
অন্যদিকে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে গত অক্টোবর মাসে হওয়া ‘বাণিজ্য যুদ্ধবিরতি’ চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো, যা দুই দেশের মধ্যে শুল্ক বৃদ্ধির উত্তেজনা সাময়িকভাবে কমিয়েছিল।
Manual8 Ad Code
২০১৭ সালের পর এই প্রথম ট্রাম্প বেইজিং সফরে যাচ্ছেন। সফরের সূচিতে রয়েছে গ্রেট হল অব দ্য পিপলে আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা এবং ঝোংনানহাই সফর — যেখানে চীনের শীর্ষ নেতৃত্ব বসবাস ও কাজ করেন।