রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিচুক্তি সই করবে না ইরান
রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিচুক্তি সই করবে না ইরান
editor
প্রকাশিত জুন ১৩, ২০২৬, ১১:৫০ অপরাহ্ণ
Manual3 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual8 Ad Code
সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে রোববার কোনো সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হচ্ছে না বলে স্পষ্ট জানিয়েছে ইরান। তবে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার অগ্রগতি অব্যাহত রয়েছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে বলে জানিয়েছে তেহরান।
শনিবার (১৩ জুন) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এ তথ্য জানান।
Manual6 Ad Code
তিনি বলেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক নিয়ে কাজ চলছে। তবে বর্তমান পর্যায়ে পারমাণবিক ইস্যু আলোচনার অংশ নয়।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, “সমঝোতা স্মারকটি ঠিক কবে স্বাক্ষরিত হবে, সে বিষয়ে আরও অপেক্ষা করতে হবে। এটি আগামীকাল হবে না। তবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে স্বাক্ষর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”
Manual4 Ad Code
তিনি আরও বলেন, “অপর পক্ষের অবস্থান বারবার পরিবর্তিত হচ্ছে। তাই এ প্রক্রিয়া নিয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।”
ইরানের এই বক্তব্যের ফলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের দেওয়া সাম্প্রতিক আশাবাদী মন্তব্য নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই শান্তিচুক্তি সই হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় শেহবাজ শরিফ জানান, মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পাকিস্তান সম্ভাব্য চুক্তির ইলেকট্রনিক স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরপর আগামী সপ্তাহে উভয় পক্ষের মধ্যে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, “শান্তিচুক্তির আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন আমরা বেশি কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।”
তবে ইরানের সর্বশেষ অবস্থান থেকে বোঝা যাচ্ছে, আলোচনা চললেও চুক্তি স্বাক্ষরের সময়সূচি নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়। জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। একই সময়ে লেবাননের হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরাইলের সংঘাতও তীব্র আকার ধারণ করে। এরপর থেকেই যুদ্ধবিরতি ও রাজনৈতিক সমাধানের লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের মধ্যস্থতায় কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে।