ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা খামেনির জানাজা ৪ জুলাই ও দাফন ৯ জুলাই
ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা খামেনির জানাজা ৪ জুলাই ও দাফন ৯ জুলাই
editor
প্রকাশিত জুন ১৩, ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual2 Ad Code
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ আক্রমণে নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধার নিবেদনের এবং জানাজা ও দাফনের তারিখ ঘোষণা করেছে ইরানের কর্তৃপক্ষ।
দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে আল জাজিরা জানিয়েছে, ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে তার শেষ বিদায়ের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে আর ৯ জুলাই তার নিজ শহর মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।
প্রাথমিকভাবে খামেনিকে মার্চেই দাফন করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, কিন্তু যুদ্ধ চলতে থাকায় তা স্থগিত করা হয়।
তেহরানে ৪ জুলাই থেকে তার তার পরিবারের নিহত সদস্যদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে পরবর্তী তিন দিন ধরে চলবে। এরপর ৭ জুলাই ইরানের পবিত্র শহর কোমে আরেকটি জানাজা হবে।
Manual1 Ad Code
ইরানি গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ৪ ও ৫ জুলাই (১৯, ২০ মহররম) তেহরানে ইমাম খোমেনি মুসাল্লায় জনসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য মরদেহ রাখা হবে। এরপর ৬ জুলাই (২১ মহররম) তেহরানে জানাজার নামাজ ও শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। ৭ জুলাই (২২ মহররম) কোমে আরেকটি জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
Manual5 Ad Code
এরপর ৯ জুলাই (২৪ মহররম) খোমেনির জন্মশহর মাশহাদে জানাজার নামাজ শেষে ইমাম রেজার (আ.) মাজার প্রাঙ্গণে মরদেহ দাফন করা হবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার দিনই খামেনি (৮৬) ও তার পরিবারের আরও চার সদস্য তেহরানে নিজ বাসভবনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হন।
Manual5 Ad Code
১৯৮৯ সালে ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ রুহল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর সৈয়দ আলি খামেনি ইরানের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। ইরানের ক্যারিশম্যাটিক নেতা খোমেনি এর এক দশক আগে ১৯৭৯ সালে দেশটির ইসলামিক বিপ্লবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।
খোমেনি ছিলেন ইরানের বিপ্লবের পেছনে আদর্শিক শক্তি। এই বিপ্লবের মধ্য দিয়ে ইরানের দীর্ঘদিনের পাহলভি রাজতন্ত্রের পতন হয়। খোমেনির পরে নেতৃত্বে আসা খামেনি ইরানের সামরিক ও আধাসামরিক বাহিনীগুলো গড়ে তোলেন। এই বাহিনীগুলো শত্রুদের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গঠন করে এবং নিজ ভূখণ্ডের বাইরেও তাদের প্রভাব বিস্তার করে।
আলি খামেনির পরবর্তী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত হন তার দ্বিতীয় ছেলে মুজতবা হুসাইনি খামেনি। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তিনি অন্তরালেই আছেন, জনসম্মুখে আসেননি।