মালয়েশিয়া ও চীনে সরকারি সফর শেষে দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
মালয়েশিয়া ও চীনে সরকারি সফর শেষে দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
editor
প্রকাশিত জুন ২৬, ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ণ
Manual6 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual8 Ad Code
মালয়েশিয়া ও চীনে সরকারি সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সফরসঙ্গীদের নিয়ে দেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
Manual1 Ad Code
শুক্রবার (২৬ জুন) বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টা ৪০ মিনিটে চীনের রাজধানী বেইজিং থেকে তাকে বহনকারী বিমান ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে।
Manual2 Ad Code
বাংলাদেশ সময় রাত ৮টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে বহনকারী বিমান অবতরণ করার কথা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফর শেষে দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাতে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের সিনিয়র নেতারা, সরকারের জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীরা এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
Manual4 Ad Code
এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ জুন মালয়েশিয়া সফরের মধ্য দিয়ে তার প্রথম সরকারি বিদেশ সফর শুরু করেন। পরে তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সামার দাভোস ২০২৬-এ অংশ নিতে চীনের দালিয়ান শহরে যান। সেখানে দুই দিন বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পর বুধবার বিকেলে বেইজিং পৌঁছান।
বৃহস্পতিবার বেইজিংয়ের গ্রেট হলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে লালগালিচা সংবর্ধনাসহ উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। পরে দুদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে ১৩টি সমঝোতা স্মারক আনুষ্ঠানিকভাবে সই হয়।
একই দিনে বিএনপি ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) মধ্যে বেইজিংয়ের দিয়াওইউতাই রাষ্ট্রীয় অতিথিশালায় একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এছাড়া চীনের পানি সম্পদমন্ত্রী লি গোয়িং প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি বিনিয়োগ সম্মেলনে বক্তব্য দেন, যা যৌথভাবে আয়োজন করে চায়না কাউন্সিল ফর দ্য প্রোমোশন অব ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড (সিসিপিআইটি) এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। তিনি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইসিংয়ের সঙ্গেও দলীয় পর্যায়ে বৈঠক করেন।
চীনে অবস্থানকালে বিভিন্ন বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর শীর্ষ নির্বাহী, চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সি, চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশন, চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারা বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং দেশের উন্নয়নযাত্রায় আরও কার্যকর অবদান রাখার বিষয়ে আলোচনা করেন।