আজ মঙ্গলবার, ১৯শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন: ৪০ মনোনয়নপত্র বাতিল, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ
সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন: ৪০ মনোনয়নপত্র বাতিল, পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

Manual2 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

  • প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ ও এর ভ্রাতৃপ্রতীম বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ তুলেছে বর্তমান বার অ্যাসোসিয়েশন।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির আসন্ন নির্বাচনে প্রায় ৪০ প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়ে গেছে।

Manual5 Ad Code

প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ ও এর ভ্রাতৃপ্রতীম বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ তুলেছে বর্তমান বার অ্যাসোসিয়েশন।

এই মনোনয়নপত্র বাতিল প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন সাব-কমিটি, বারের বর্তমান অ্যাডহক কমিটি এবং বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে মতবিরোধ ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগের সৃষ্টি হয়েছে।

প্রার্থীরা বলেছেন, কোনো নোটিস বা কারণ দর্শানো ছাড়াই ‘ওপরের নির্দেশে’ অবৈধভাবে তাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে।

অন্যদিকে নির্বাচন সাব-কমিটি বলছে, মনোনয়ন যাচাই-বাছাই করা তাদের কাজ নয়, এটি সম্পাদকের গণতান্ত্রিক দায়িত্ব।

তবে বারের অ্যাডহক কমিটি ও বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীদের দাবি, ‘জুলাই যোদ্ধা’ ও সাধারণ আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ সাধারণ সভার (ইজিএম) সিদ্ধান্ত এবং সরকারি গেজেট অনুযায়ী এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এর আগে দুপুর সোয়া ১টায় প্রার্থিতা বাতিল হওয়া আইনজীবীদের প্রেস ব্রিফিং হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পূর্বনির্ধারিত সময়ের আগেই সুপ্রিম কোর্টের এনেক্স ভবনের সামনে অবস্থান নেন বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। এরপর আর প্রেস ব্রিফিংয়ে আসেননি প্রার্থিতা বাতিল হওয়া আইনজীবীরা। এরপর পূর্ব নির্ধারিত স্থানের কাছেই বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন।

‘যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্ব সেক্রেটারির, আমার নয়’

নির্বাচন সাব-কমিটির আহ্বায়ক ও সাবেক বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, মনোনয়ন যাচাই-বাছাই (স্ক্রুটিনি) করার দায়িত্ব নির্বাচন সাব-কমিটির নয়, বরং এটি বারের বর্তমান সেক্রেটারির গঠনতান্ত্রিক দায়িত্ব।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তিনি ৬ সদস্যের নির্বাচন সাব-কমিটির আহ্বায়ক। ২৭ এপ্রিল তিনি সাব-কমিটি সংক্রান্ত একটি চিঠি পেয়েছেন।

তিনি বলেন, “এরা আগের দিন একটা রেজুলেশন দিছে। এখন ওই রেজুলেশনের ভাষ্য অনুযায়ী, যে বা যারা আওয়ামী লীগ বা আওয়ামী লীগের দোসর বা স্বৈরাচারের দোসর, যেটা আমরা সাধারণ ভাষায় বলি, এরা এখানে ভোট করতে পারবে না।”

বাছাইয়ের দায়িত্ব কার, বিষয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, “স্ক্রুটিনির দায়িত্বটা হচ্ছে বর্তমান (সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির) সেক্রেটারির। এটা আমাদের সুপ্রিম কোর্ট বারের সংবিধান অনুযায়ী সেক্রেটারির দায়িত্ব। আমারে বলছিল স্ক্রুটিনি করতে, আমি বললাম, সরি আমি পারব না। এটা আইন অনুযায়ী আমার দায়িত্ব না।”

প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়ে তিনি বলেন, “সেক্রেটারির দায়িত্ব, সেক্রেটারি করবে। আমি ওটায় যাব না। আমি যাই নাই, কারে কারে তারা বাদ দিছে, কাদের বাদ দেয়নি, এটা আমি জানিও না, জানতে চাইও না। এটা ওদের দায়িত্ব, আমার কী।”

বাতিল হওয়া প্রার্থীদের অসন্তোষের বিষয়ে তিনি বলেন, “বাদ দেওয়াতে এক পক্ষ তো অবশ্যই অসন্তুষ্ট। এরা বারের সদস্য। এটা বার বুঝবে। আমার দায়িত্ব এইটা না, আমি যাই নাই। ফিনিশ! আমার আর কোনো কথা নাই।”

যাদের প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে, বারের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ঠিক আছে কিনা— এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “ওইটা সেক্রেটারি বলবে। এটা নিয়ে আমি কোনো কথা বলব না। আমার ভিউটা যাই হোক, আমি এটা বলতে যাব না।

“নির্বাচন কমিশনের, আমি যেটা বুঝতেছি, কাজ হলো নির্বাচন পরিচালনা করা। ৩ তারিখের পরেই আমার আলাপটা শুরু হবে।”

বিনা নোটিসে প্রার্থিতা বাতিল: ক্ষুব্ধ প্রার্থীরা

মনোনয়ন বাতিল হওয়া সম্পাদক পদপ্রার্থী মোতাহার হোসেন সাজু অভিযোগ করেন, কোনো ধরনের নোটিস বা প্রকাশ্যে যাচাই-বাছাই ছাড়াই ৪০ জনের বেশি প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা সুপ্রিম কোর্ট অঙ্গনের জন্য অযৌক্তিক, অবৈধ ও কলঙ্কজনক।

“কালকেও যখন তথাকথিত একটি স্ক্রুটিনি দেখানো হয়েছে, যেখানে স্ক্রুটিনি হয় সবসময় প্রার্থী, প্রস্তাবক, সমর্থকদের উপস্থিতিতে। বাতিলকৃত প্রার্থীদের সামনে কোনো স্ক্রুটিনি হয় নাই। ”

Manual1 Ad Code

তিনি বলেন, “যাদের এরকম তথাকথিত বাদ দেওয়া হয়েছে, তাদের আজ পর্যন্ত জানার কোনো সুযোগও হয়নি আসলে তাদের কী কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন সাব-কমিটির যিনি কনভেনার ছিলেন, সাবেক বিচারপতি মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরী, তিনি কালকে কিন্তু সেই সভায় উপিস্থিত ছিলেন না । আরও দুজন সদস্য অনুপস্থিত ছিলেন।”

বাতিলের কাজটা যখন সেক্রেটারি নিজ দায়িত্বে নিয়েছেন, উনারা আর উপস্থিত থাকেননি বলে দাবি করেন সাজু।

রাজনৈতিক পরিচয়ের বিষয় টেনে প্রার্থিতা বাতিল বারের গঠনতন্ত্র পরিপন্থি দাবি করে তিনি বলেন, “আমাদের মধ্যে কোনো প্যানেল নাই, কোনো দল নাই। এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, তিনিও কিন্তু ওই বিশেষ সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন না। আমি যতটুকু শুনেছি তাদের যে, ইন্টার্নাল ফোরামে মিটিং হয়েছে, সেখানেও তিনি একমত হন নাই।”

সদস্য পদের প্রার্থী উপমা বিশ্বাস বলেন, “বারের গঠনতন্ত্রের ১৫(২) নিয়ম অনুযায়ী আমাদের মেম্বারশিপ আছে, ফিস দেওয়া আছে এবং ভোটার লিস্টেও নাম আছে। কিন্তু তারপরও উনারা কোনো ধরনের অফিশিয়াল কারণ না দেখিয়ে আমার প্রার্থিতা বাতিল করেছেন ।”

Manual6 Ad Code

তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট বার তো একটা পেশাজীবী অর্গানাইজেশন। এটা কোনো পলিটিক্যাল নির্বাচন না। আমাদের এখানে আমি খ্রিস্টান। আরেকজন ক্যান্ডিডেট ছিল, সে বুদ্ধিস্ট এবং আদিবাসী । আমি যদি আজ এই ইলেকশনটা করতাম, খ্রিস্টান কমিউনিটি থেকে আমি প্রথম কোনো নারী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিতাম। অথচ এখানে আমার সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে।”

ট্রেজারার পদের প্রার্থী সাগরিকা ইসলাম বলেন, “আমি একদম ব্যক্তিগতভাবে ৯ জনের সমর্থন নিয়ে ট্রেজারার ক্যান্ডিডেট হিসেবে তিনটা মনোনয়ন ফর্ম জমা দিয়েছি । তিনটা ফর্মই উনারা ক্যান্সেল করেছেন। ব্যাখ্যা চাইলে উনারা বলছেন, ‘আমরা জানি না, উপর থেকে বাছাই হয়েছে।’ তারা হচ্ছে পুতুল। তারা শুধু নাম ডিক্লেয়ার করেছেন।”

তিনি বলেন, “আমি কোনো দল বা দলীয় নমিনেশন থেকে আমি নমিনেশন ফর্ম জমা দেই নাই। আমরা আওয়ামী লীগও করি না, বিএনপিও করি না, জামায়াতও করি না। আমার জন্মের পর আমি শুনি নাই যে কোনো দল সমর্থন করলে তার নমিনেশন বাতিল হয়ে যাবে।”

যা বলছে গঠনতন্ত্র

গঠনতন্ত্রের ১৫ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, যাচাই-বাছাইয়ের জন্য নির্ধারিত দিনে সমিতির সম্পাদক প্রার্থীদের যোগ্যতা ও মনোনয়ন ফর্ম খতিয়ে দেখবেন। প্রার্থীর সম্মতিসূচক স্বাক্ষর, নির্ধারিত ফি এবং সদস্যপদের মেয়াদ (সভাপতি ২০ বছর, সম্পাদক ১০ বছর ইত্যাদি) পূরণে ঘাটতি থাকলে সম্পাদক মনোনয়ন বাতিল করতে পারেন।

তবে গঠনতন্ত্রে বলা আছে, সম্পাদকের যাচাই-বাছাই বা প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে যদি কোনো বিতর্ক বা আপত্তি দেখা দেয়, তবে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য একটি সাধারণ সভা বা ‘জেনারেল মিটিং’ ডাকতে হবে। সেই সাধারণ সভাতেই সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হবে।

‘জুলাই যোদ্ধাদের দাবিতে মনোনয়ন বাতিল’

Manual1 Ad Code

বিএনপির নবনির্বাচিত আইন সম্পাদক বদরুদ্দোজা বাদলের ভাষ্য, ‘জুলাই যোদ্ধা’ ও সাধারণ আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিশেষ সাধারণ সভার (ইজিএম) মাধ্যমে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সমর্থকদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন।

তিনি বলেন, “জুলাই যোদ্ধাসহ অনেকেই সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে লিখিত দরখাস্ত দিয়েছেন। তারা বলেছেন, যারা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্যানেলে বা ব্যানারে নির্বাচন করেছে বা সমর্থন করেছে, তাদের যেন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দেওয়া না হয়।”

জোর করে বার দখলের অভিযোগ নাকচ করে তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন তাদের মেম্বারদের চাওয়া-পাওয়াকে কার্যকর করার জন্য প্রতিটি সিদ্ধান্ত সাধারণ সভায় বাস্তবায়ন করতেছে।”

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম (সুপ্রিম কোর্ট) সদস্য সচিব আইনজীবী গাজী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “২৬ তারিখ একটা জরুরি সাধারণ সভা হয়েছে। জুলাই যোদ্ধারা সুপ্রিম কোর্টের প্রেসিডেন্টের রুমের সামনে অবস্থান নিয়ে স্মারকলিপি দিয়েছে। এছাড়া প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ সাধারণ আইনজীবী অ্যাপ্লিকেশন দিয়েছে যাতে করে ফ্যাসিস্টের দোসর নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করতে পারে।”

তিনি বলেন, “ নির্বাচনে যারা অংশগ্রহণ করছে, আপনি দেখবেন এনসিপির প্রার্থী আছে, জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী আছে এবং বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী রয়েছে, স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে। এখানে যারা শুধুমাত্র নিষিদ্ধ সংগঠনের এবং তাদের সহযোগী হিসেবে অতীতে ছিল, বর্তমানে রয়েছে, শুধুমাত্র তারাই অযোগ্য ঘোষিত হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “ইতিমধ্যে সরকার কর্তৃক এই দলটা নিষিদ্ধ হয়েছে। যেহেতু নিষিদ্ধ হয়েছে, তাহলে নিষিদ্ধ সংগঠনের কেউ নির্বাচনে আসার তো কোনো আইনগত সুযোগ নাই। তারা আইনের দ্বারা বারিত হয়েছেন। আমরা কিন্তু কাউকে বারিত করিনি।”

বাতিল সবার দলীয় সম্পৃক্ততার প্রমাণ আছে: হুমায়ুন কবির মঞ্জু

প্রার্থিতা বাতিলের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিলনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি নির্বাচনি মুখপাত্র ও সিনিয়র সহসভাপতি হুমায়ুন কবির মঞ্জুর সঙ্গে কথা বলতে বলেন।

হুমায়ুন কবির মঞ্জু বলেন, “যাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, তাদের দলীয় সম্পৃক্ততার দালিলিক প্রমাণ (ডকুমেন্টারি) সমিতির কাছে রয়েছে। বাংলাদেশ গেজেটে সরকার যে আওয়ামী লীগ এবং তার ফ্যাসিস্ট অঙ্গসংগঠন, দোসর যারা ছিল, তাদের ব্যাপারে তো একটা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের বাংলাদেশের কোনো কাজে ইনভলভ হইতে পারবে না — এরকম একটা গেজেট নোটিফিকেশন জারি ও কার্যকর হয়েছে।”

তিনি বলেন, “যারা সরাসরি আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত, ফ্যাক্ট প্রমাণের ভিত্তিতে তাদেরকে বাদ দেওয়া হইছে। রাষ্ট্র আইনিভাবে তাদের বয়কট করে রেখছে। সুতরাং সেক্ষেত্রে তো আমাদের কিছু করণীয় নেই।”

তিনি আরও বলেন, “অনেকে টাকা-টুকা (মনোনয়ন ফি) তুলে নিয়ে নিজেরা নিজেদের মনোনয়ন ফরম প্রত্যাহার করে নিয়েছে। তাদের তো কেউ বাধ্য করে নাই।”

সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য জেনারেল মিটিং

হুমায়ুন কবির মঞ্জু বলেন, “যদি তাদের কোনো দাবিদাওয়া থাকে, তাইলে আমরা সেটা জেনারেল মিটিংয়ে আলোচনা করব। আইনজীবীরা যে সিদ্ধান্ত দিবে, ওইটাই ফাইনাল সিদ্ধান্ত হবে।”

যাচাই-বাছাই শেষে টিকে যাওয়া প্রার্থীদের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট পদে ৫ জনের মধ্যে ৩ জনের, ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে ৫ জনের মধ্যে ৫ জনের, জয়েন্ট সেক্রেটারিতে ১৫ জনের মধ্যে ৮ জনের, ট্রেজারারে ৫ জনের মধ্যে ৩ জনের, অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারিতে ১৬ জনের মধ্যে ৬ জনের এবং মেম্বার পদে ৪৪ জনের মধ্যে ২৩ জনের মনোনয়ন বৈধ হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) শেষ দিনে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে প্রার্থিতা বাতিলের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিএনপি সমর্থিত ১৪ জন, জামায়াত সমর্থিত ১২ জন এবং এনসিপি সমর্থিতদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

আগামী ১৩ ও ১৪ মে সমিতির নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। এতে সভাপতি ও সম্পাদকসহ ১৪টি পদে এক বছরের জন্য নেতৃত্ব নির্বাচন করবেন আইনজীবীরা।

তথ্য সুএঃ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর