মধ্যপ্রাচ্যের তেল-গ্যাস নিয়ে গভীর সংকটের তথ্য দিল বিশ্ব জ্বালানি সংস্থা
মধ্যপ্রাচ্যের তেল-গ্যাস নিয়ে গভীর সংকটের তথ্য দিল বিশ্ব জ্বালানি সংস্থা
editor
প্রকাশিত মার্চ ২৩, ২০২৬, ০৫:০৯ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলে অসম যুদ্ধ ২৪তম দিনে গড়িয়েছে। এর মধ্যে উভয়পক্ষের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াও জ্বালানি সংকটের মুখে পড়েছে পুরো বিশ্ব। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরোণের কোনো পথ এখনো কেউ দেখাতে পারেনি। উলটো নতুন সংকটের তথ্য দিয়েছে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ)।
সংস্থাটির প্রধান ফাতিহ বিরল সোমবার (২৩ মার্চ) জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে ওই অঞ্চলের অন্তত ৪০টি জ্বালানি স্থাপনা ‘গুরুতর বা অত্যন্ত গুরুতরভাবে’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
Manual2 Ad Code
অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরায় ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে কথা বলার সময় ফাতিহ বিরল বলেন, `৯টি দেশজুড়ে ওই অঞ্চলের অন্তত ৪০টি জ্বালানি স্থাপনা গুরুতর বা অত্যন্ত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
Manual8 Ad Code
বিরল আরও বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি একটি ‘বিশাল হুমকির’ মুখে পড়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, পরিস্থিতি যদি এই দিকেই চলতে থাকে, তবে কোনো দেশই এই সংকটের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে না।
Manual5 Ad Code
তিনি উল্লেখ করেন যে, মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকটের সম্মিলিত প্রভাব ১৯৭০-এর দশকের দুটি তেলের ধাক্কা এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে গ্যাস বাজারের ওপর পড়া প্রভাবের চেয়েও ভয়াবহ।
সোমবার ভোরে তেহরানের ওপর ইসরাইলের নতুন করে চালানো হামলার প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এই কর্মকর্তা আরও জানান যে, সংরক্ষিত তেলের মজুদ আরও ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে তিনি ইউরোপ ও এশিয়ার সরকারগুলোর সঙ্গে পরামর্শ করছেন।
বিরল বলেন, ‘আমরা দেখব, আমরা বাজার পর্যবেক্ষণ করব। যদি প্রয়োজন হয় তবে অবশ্যই আমরা তা করব, তবে আমরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ করব এবং আমাদের সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করব।’
ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে এই কৌশলগত জলপথটি সব জাহাজের জন্য খুলে দিতে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। তিনি হুমকি দিয়েছেন যে, অন্যথায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো ‘বিধ্বস্ত’ করে দেবেন। মধ্যপ্রাচ্যের সময় অনুযায়ী রোববার ভোরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রাম্প এ হুমকি দেন। তবে আগের অবস্থানেই অটল আছে তেহরান। এমনকি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ওপর আগ্রাসন বন্ধ না হলে নতুন করে পুরো পারস্য উপসাগরে মাইন পুঁতে নৌযান চলাচল বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।