যুক্তরাজ্যে হামলার আশঙ্কা তীব্র, মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ
যুক্তরাজ্যে হামলার আশঙ্কা তীব্র, মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশ
editor
প্রকাশিত মে ৩, ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ণ
Manual3 Ad Code
আল–জাজিরা
যুক্তরাজ্যে সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। গোয়েন্দাদের অনুমান, আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশটিতে হামলার আশঙ্কা অনেক বেশি। পরিস্থিতি বিবেচনায় সেখানে বসবাসরত মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলেছে লন্ডনস্থ যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস।
Manual4 Ad Code
দূতাবাস গত শুক্রবার (১লা মে) এক বার্তায় যুক্তরাজ্যে বসবাসরত মার্কিন নাগরিকদের জনসমাগমস্থলে সতর্ক থাকতে বলেছে। বিশেষ করে স্কুল, গির্জা, পর্যটনকেন্দ্র এবং গণপরিবহনে সাবধানে থাকতে বলা হয়েছে।
দূতাবাস থেকে আরও বলা হয়েছে, চলাচলের পথ ও সময় ঘনঘন পরিবর্তন করতে হবে। পাশাপাশি সাধারণ জীবনযাপনের ধারা বজায় রাখতে হবে, যাতে আলাদাভাবে নজর না পড়ে।
এর আগে শুক্রবার যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই-ফাইভ এক বিবৃতিতে জানায়, যৌথ সন্ত্রাসবাদ বিশ্লেষণ কেন্দ্র দেশটিতে হামলার হুমকির মাত্রা ‘যথেষ্ট’ থেকে বাড়িয়ে ‘প্রবল’ পর্যায়ে উন্নীত করেছে। এটি যুক্তরাজ্যের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সতর্কতার স্তর। এর মানে হলো, আগামী ছয় মাসের মধ্যে হামলার আশঙ্কা এখন অত্যন্ত বেশি।
Manual5 Ad Code
এমআই-ফাইভ জানায়, যুক্তরাজ্যে বেশ কিছুদিন ধরে সন্ত্রাসী হামলার হুমকি বাড়ছে। গত বুধবার লন্ডনের গোল্ডার্স গ্রিন এলাকায় দুই ইহুদি ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা সতর্কবার্তা বাড়ানোর পেছনে ভূমিকা রেখেছে। তবে শুধু ওই হামলার কারণে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে, তা কিন্তু নয়।
এমআই-ফাইভ জানায়, যুক্তরাজ্যে একক ব্যক্তি বা ছোট গোষ্ঠীর মাধ্যমে ইসলামপন্থী এবং কট্টর ডানপন্থী চরমপন্থার হুমকি বৃদ্ধির কারণে এই ঝুঁকি বেড়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ইহুদি ও ইসরায়েলি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলো বেশি ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাজ্যের মার্কিন দূতাবাস নিজ দেশের নাগরিকদের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো এ ধরনের নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করল। এর আগেও তারা ইহুদি ও মার্কিন প্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা ও হুমকির কথা উল্লেখ করে নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছিল।
Manual6 Ad Code
গত সপ্তাহে উত্তর লন্ডনে ইহুদিদের উপাসনালয় ফিঞ্চলে রিফর্ম সিনাগগে হামলা হয়। এ ছাড়া হ্যারো অঞ্চলের কেনটন ইউনাইটেড সিনাগগসহ আরও বেশ কিছু স্থানে সম্প্রতি হামলার ঘটনা ঘটেছে।