যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে চুক্তির শর্ত কঠোর করলেন ট্রাম্প
যুদ্ধ বন্ধে ইরানের সঙ্গে চুক্তির শর্ত কঠোর করলেন ট্রাম্প
editor
প্রকাশিত মে ৩১, ২০২৬, ০৯:২১ অপরাহ্ণ
Manual4 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
ইরান যুদ্ধ অবসানে প্রস্তাবিত চুক্তির বেশ কয়েকটি শর্ত পরিবর্তনের চেষ্টা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে।
Manual7 Ad Code
শনিবার ( ৩০ মে) ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’ পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েকটি শর্ত কঠোর করার মধ্য দিয়ে ট্রাম্প চুক্তিতে কিছু পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। নতুন এই কাঠামোটি বিবেচনার জন্য আবার ইরানের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন এই প্রক্রিয়া সস্পর্কে অবগত কর্মকর্তারা।
Manual7 Ad Code
তবে কী কী পরিবর্তন আনা হয়েছে সেগুলো তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট করে জানানো হয়নি, বলা হয় প্রতিবেদনে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প চুক্তির কয়েকটি বিষয় কঠোর করতে চেয়েছেন, যেগুলো তিনি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন। এর মধ্যে ইরানের পারমাণবিক উপাদান নিয়ে কী করণীয় সেটিও অন্তর্ভুক্ত।
এক ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে বলেছেন, শর্তগুলোর বিষয়ে জবাব জানাতে ইরানের তিনদিন লাগতে পারে বলে ট্রাম্পকে জানানো হয়েছে।
ইরানের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের কালিবাফ রোববার জানিয়েছেন, তেহরানের অধিকার পুরোপুরি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনও চুক্তিতে যেতে রাজি হবে না।
Manual4 Ad Code
তিনি বলেন, “শত্রুপক্ষের কথা এবং প্রতিশ্রুতিতে কোনও বিশ্বাস নেই। আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করার আগে বাস্তবসম্মত ফল চাই- এটিই আমাদের একমাত্র মাপকাঠি।”
মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রস্তাবিত চুক্তিতে নতুন যেসব পরিবর্তন এনেছেন তাতে দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনা আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে। ফলে চুক্তিটি শেষ পর্যন্ত যুদ্ধের অবসান ঘটাবে কি না তা নিয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছতে আরও সময় লাগবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের পর থেকে এই যুদ্ধ শুরু হয়।
Manual5 Ad Code
মার্কিন কর্মকর্তারা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রস্তাবটি ট্রাম্পের অনুমোদনের অপেক্ষায় ছিল। তবে শুক্রবার হোয়াইট হাউজের সিচুয়েশন রুমে বৈঠকের পরও ট্রাম্প কোনও সিদ্ধান্ত নেননি।
ট্রাম্প বলেছেন, যে কোনও চুক্তির ক্ষেত্রে তার অগ্রাধিকারের বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- ইরানকে কখনওই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করতে এবং অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দিতে রাজি করানো। এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল সরবরাহ হয়।