আজ রবিবার, ১৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুড়ীতে কাজ চলমান অবস্থায় ভেঙ্গে পড়ল রাস্তা ও গাইডওয়াল

editor
প্রকাশিত জুন ৮, ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ণ
জুড়ীতে কাজ চলমান অবস্থায় ভেঙ্গে পড়ল রাস্তা ও গাইডওয়াল

Manual8 Ad Code
সাইফুল ইসলাম সুমন, জুড়ী থেকেঃ
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে একটি রাস্তার এইচবিবিকরণ (ডাবল ইটসলিং) ও গাইডওয়াল নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শেষ না হতেই রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানে ধসে গেছে রাস্তা, ভেঙ্গে পড়েছে গাইডওয়াল। এলাকাবাসির অভিযোগ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নির্মাণ কাজে নানা অনিয়মের কারণে রাস্তা ও গাইডওয়াল ভেঙ্গে পড়েছে। দ্রুত মেরামত করা না হলে রাস্তাটি জনসাধারণের উপকারের চেয়ে ভোগান্তির কারণ হতে পারে।

জানা গেছে, গ্রামীণ মাটির রাস্তাসমূহ টেকসই করনের লক্ষ্যে হেরিং বোন বন্ডকরণ শীর্ষক (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রনালয়ের বাস্তবায়নে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে ৮৬ লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের শাহাপুর মাদ্রাসার নিকট হতে শাহাপুর আব্দুল মতিনের বাড়ির নিকট পুরাতন এইচবিবি রাস্তা পর্যন্ত এক কিলোমিটার রাস্তা এইচবিবি করণ প্রকল্পের কাজের দায়িত্ব পায় স্কাইলাইন এন্টারপ্রাইজ নামক একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ৪ এপ্রিল প্রধান অতিথি হিসবে নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু। এরপরই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে। কিন্তু নির্মাণ কাজ চলমান অবস্থায় রাস্তাটির বিভিন্ন স্থানের ইটসলিং এলোমোলো হয়ে যায় এবং গাইডওয়াল ভেঙ্গে পড়ে। এতে এলাকাবাসির মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দেয়।

Manual6 Ad Code

সরেজমিনে গেলে ভুক্তভোগি এলাকাবাসি জানান, নির্মাণ কাজে ঠিকাদারের অনিয়মের কারণে রাস্তাটির কাজ শেষ না হতেই বিভিন্ন জায়গায় গার্ডওয়াল ভেঙ্গে পড়েছে, উঠে ও দেবে গেছে ইটসলিং। তারা অভিযোগ করেন, রাস্তার এইচবিবি করণে বালুর পরিমাণ কম ও যথাযথভাবে ড্রেসিং না করায় এবং সিডিউল মোতাবেক গাইডওয়ালের নির্মাণ কাজ না করায় বিভিন্ন জায়গা ভেঙ্গে পড়েছে, ফাটল দেখা দিয়েছে ও দেবে গেছে।

Manual7 Ad Code

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, অভিযোগ পেয়ে তিনি রাস্তাটি পরিদর্শন করেছেন। কাজ চলমান রয়েছে এবং ভেঙ্গে পড়া জায়গা মেরামত করতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছেন।

Manual5 Ad Code

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্তাধিকারি প্রকৌশলী অভিজিৎ দে জানান, রাস্তার পার্শবর্তী বাসিন্দারা বাড়ির বৃষ্টির পানি নিষ্কাষিত হওয়ার ব্যবস্থা রাখেননি। এতে রাস্তার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ায় নিচের মাটি সরে যাওয়ায় গাইডওয়াল ও রাস্তার ক্ষতি হয়েছে। ভাঙ্গা অংশ মেরামত করতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা তাকে নির্দেশ দিয়েছেন।