আজ শুক্রবার, ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৌলভীবাজারে ৪০ প্রহর নামযজ্ঞে আলোকিত শ্রী শ্রী বিষ্ণুপদ ধাম

editor
প্রকাশিত মার্চ ৫, ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
মৌলভীবাজারে ৪০ প্রহর নামযজ্ঞে আলোকিত শ্রী শ্রী বিষ্ণুপদ ধাম

Manual1 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক:

মৌলভীবাজার জেলার রাজনগরে – প্রাচীন ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিকতার মিলনস্থল শ্রী শ্রী বিষ্ণুপদ ধামে এবার ও অনুষ্ঠিত হলো মনোমুগ্ধকর ৪০ প্রহরবার্ষিক নামযজ্ঞ মহোৎসব। চারপাশ আলোকসজ্জা, কীর্ত্তন আর ভক্তদের ভক্তিমানসে ভর করে তুলেছে এই পবিত্র তীর্থস্থান টি কে।

Manual2 Ad Code

শ্রী শ্রী বিষ্ণুপদ ধাম বাংলাদেশের উত্তর‑পূর্বাঞ্চলের অন্যতম পবিত্র হিন্দু তীর্থস্থান, যেখানে ভক্তরা প্রতিদিনই ধর্মীয় অনুষ্ঠান, পিন্ডদান, শ্রাদ্ধানুষ্ঠান ও নামযজ্ঞে অংশগ্রহণ করে থাকেন। এখানে ভগবান শ্রী বিষ্ণুর পদচিহ্ন রয়েছে বলে বিশ্বাস রয়েছে যা ভক্তদের জন্য বিশেষ পুণ্যস্থান হিসেবে বিবেচিত হয়।

এবারের ৪০ প্রহর মহোৎসবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত ধর্মপ্রাণ ভক্তবৃন্দও সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

Manual3 Ad Code

রাতের অন্ধকারে ধামটি সাজানো হয় অসংখ্য আলোকদ্বারা ও রঙিন বাতি দিয়ে, একদিকে সুনির্মল আলো যেন বিষ্ণুপদ ধামকে আকাশচুম্বী এক মন্দিরে পরিণত করে, অন্যদিকে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা রাতে আলোকসজ্জা ভেদ করে মন্ত্রমুগ্ধ দর্শনে আকৃষ্ট হয়। উৎসবের ওই রাতের আলোকমালা দর্শকদের মনে এক গভীর শান্তি ভরিয়ে দেয়, আর ভক্তরা স্মৃতির ভাঁজে সেই সৌন্দর্য লুকিয়ে রাখে।

শ্রী শ্রী বিষ্ণুপদ ধাম শুধু একটি ধর্মীয় স্থান নয়, এটি স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের ঐক্য, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। এখানে সারা বছর বিভিন্ন ধর্মীয় আয়োজনে, উপাসনা কার্যক্রমও ঘটে থাকে। সম্প্রতি কুমারী পূজার আয়োজন প্রথমবারের মতো এই ধামে সম্পন্ন হয়, যা স্থানীয়দের মধ্যে নতুন উৎসাহ যোগ করেছে এবং ধর্মীয় ঐতিহ্যের এক অনন্য দিক উন্মোচিত হয়েছে।

Manual1 Ad Code

 

ধামের কমিটি ও উৎসব আয়োজকরা সকল ভক্ত, ধর্মপ্রাণ ও দর্শনার্থীদের এই মহোৎসবে অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

তাঁরা বলেন, “বিষ্ণুপদ ধামে এই মহোৎসব শুধু এক ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয় — এটি মানবিক, সাংস্কৃতিক ও সাম্প্রদায়িক শান্তির বার্তা বহন করে।

 

Manual6 Ad Code