আজ বৃহস্পতিবার, ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজনগরে সিএনজি গাড়ীতে যাত্রী বহনের তুচ্ছ ঘটনার নিয়ে সিএনজি চালককে পিটিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা

editor
প্রকাশিত মার্চ ১০, ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ণ
রাজনগরে সিএনজি গাড়ীতে যাত্রী বহনের তুচ্ছ ঘটনার নিয়ে সিএনজি চালককে পিটিয়ে মেরে ফেলার চেষ্টা

Manual3 Ad Code

মো: জাফর ইকবাল:

Manual1 Ad Code

মৌলভীবাজারের রাজনগরে সিএনজি গাড়ীতে মালামাল সহ যাত্রী বহন নিয়ে শত্রুতার জেরে এক সিএনজি ড্রাইভার ও তার সহযোগীর হামালায় হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে সিএনজি চালক আব্দুল মালিক (৩৮)।

এব্যাপারে রাজনগর থানায় তার ভাই আলিফ মিয়া বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সোমবার (৯ মার্চ) উপজেলার ৪নং পাঁচগাঁও ইউপির রক্তা গ্রামের সাজু মিয়ার দোকানের সামনে রাস্তায় এঘটনাটি ঘটে। এসময় মালিক ইনকাম সহ নগদ ৫,৬৫০/-টাকা হামলাকারীরা নিয়ে যায়।

Manual6 Ad Code

অভিযোগে জানাযায়, প্রায় দিন সিএনজি চালক আব্দুল মালিক সিএনজি গাড়ী দিয়ে সপলু মিয়া, আহমদ আলী, ফনোয়ার মিয়াকে নিয়ে রক্তা হতে মৌলভীবাজার মাছের আড়তে যাতায়াত করতেন। এব্যাপারে একি এলাকার সিএনজি চালক জনি মিয়া বিষয়টি নিয়ে খুব ক্ষিপ্ত ছিলেন।

Manual4 Ad Code

ঘটনার দিন সোমবার সকাল ৬.৩০ ঘটিকার সময় আব্দুল মালিক তাহার সিএনজি নিয়ে প্রতিদিনের ন্যায় সপলু মিয়া, আহমদ আলী, ফনোয়ার মিয়াকে রক্তা হতে মৌলভীবাজার মাছের আড়তে যাওয়ার পথে রক্তা গ্রামের সাজু মিয়ার দোকানের সামনে রাস্তায় জনি মিয়া তাহার সিএনজি গাড়ীর পথরোধ করে গাড়ীর চাবি কেড়ে নিয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। পরে জনি মিয়া ও তার ভাই সজীব মিয়া সহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে ডেকে এনে লোহার রড, জিআইপাইপ, রামদা, লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে প্রানে হত্যা করার উদ্দেশ্যে মাথা আঘাত করে। তাদের আঘাতে বাম চোখে সহ মাথায় মারাত্নক জখম হয়। পরবর্তীতে শ্বাসরোধ করে মেরে ফেলার চেষ্টা করে।

আহত আব্দুল মালিকের ভাই আলফি মিয়া বলেন, জনি মিয়া ও তার ভাই সজীব মিয়া এলাকার সন্ত্রাসী, দাঙ্গাবাজ এবং লাঠিয়াল প্রকৃতির লোক। আমার বড় ভাই আব্দুল মালিক পেশায় একজন সিএনজি চালক। আমার ভাই প্রায় দিন তাহার চালিত সিএনজি গাড়ী দিয়ে সপলু মিয়া, আহমদ আলী, ফনোয়ার মিয়াকে রক্তা হইতে মৌলভীবাজার মাছের আড়তে যাতায়াত করতেন। এলাকার জনি মিয়াও একজন সিএনজি ড্রাইভার। সে হিংসা বশীভূত হয়ে আমার ভাইকে প্রানে মারার উদ্দেশ্যে মারধোর করে। আমি ফোন পেয়ে আসার আগেই মেরে মূমুর্ষ অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। এব্যাপারে রাজনগর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি।

রাজনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: ফরিদ উদ্দিন আহমদ ভূইয়া বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। বিষয়টি জেনে আপনাদেরকে জানাবো।

Manual6 Ad Code