আটঘর রাস্তার কারনে যতরপুর গ্রামের ৫০ টি পরিবারের ৫০ বছর ধরে সদরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
আটঘর রাস্তার কারনে যতরপুর গ্রামের ৫০ টি পরিবারের ৫০ বছর ধরে সদরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
editor
প্রকাশিত মার্চ ২৫, ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ণ
Manual6 Ad Code
মোঃ জাফর ইকবাল,
Manual4 Ad Code
মৌলভীবাজার শ্রীমঙ্গলের মির্জাপুর ইউনিয়নের একটি রাস্তার কারনে যতরপুর গ্রামের ৫০ টি পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। রাস্তার জন্য জমি ক্রয় করলেও বিক্রেতার প্রতারনার কারনে রাস্তা করতে পারছেননা বলে অভিযোগ উঠেছে। এলাকার ৫০ টি পরিবার মৌলভীবাজার সদরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।
মৌলভীবাজার সদরের ১০ নং নাজিরাবাদ ইউনিয়ন আর শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের শেষ সীমানায় অবস্থিত যতরপুর গ্রাম। সদরের সাথে যোগাযোগ করার জন্য প্রয়োজন শুধু একটি রাস্তা। যতরপুরের ৫০ পরিবার সদরের সাথে স্বাচ্ছন্দে যোগাযোগের জন্য রাস্তা করতে ব্যক্তি উদ্দ্যোগে জনস্বার্থে কুয়েত প্রবাসী সামছুল মিয়া নাজিরাবাদ ইউনিয়নের মিলাদ হোসেনের নিকট থেকে ২২ সালে আটঘর মৌজার জেল নং-১৫০, এসএ খতিয়ান থেকে ১২ শতক জমি ক্রয় করেন । মিলাদ হোসেন তার ভাই লন্ডন যাওয়ার কথা বলে খুব দ্রুততার সাথে হাজী মো: জমির খাঁন, সাবেক মেম্বার শেখ সোহেল আহমদ, রহমান খাঁ, খিতিশ সুত্র ধর, হারিছ মিয়া, ধীরেন্দ্র মোহরিল, মজমিল মিয়া,রাহান খাঁন, সাবেক মেম্বার ডাক্তার মো: রোশন মিয়া, খেজুর মিয়ার উপস্থিতিতে. ১২ শতক জমি ক্রয় করেন। কিন্তু সে সময় মিলাদ হোসেনের ভাই লন্ডন যাওয়ার অজুহাতে ক্রয়কৃত জমি রেজিষ্টারী করা হয়নি।
Manual5 Ad Code
ঐ জমির উপর দিয়ে কাঁচা রাস্তা তৈরী করে এলাকাবাসী চলাচল শুরু করে। গত ২৪ সালে মিলাদ হোসেন বিক্রিত জমি ফেরত চেয়ে চলাচলের রাস্তায় বাঁধা সৃষ্টি করেন। উভয় পক্ষের চাচা আহমদ মিয়ার বাড়িতে সালিশী বৈঠক হয় ২ দিন হলেো সমাধান আসেনি। পরবর্তীতে এলাকার আশরাফ আহমদের মধ্যস্থতায় মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহবায়ক ফজলুল করিম ময়ুন এর বাসায় বসে সালিশী বৈঠক। সিন্ধান্ত হয় আরো ২ লাখ টাকার বিনিময়ে মিলাদ হোসেনের জমি রেজিষ্টারী করে দেবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সিন্ধান্ত কার্যকর করেননি মিলাদ হোসেন। এরপর থেকে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা রিরাজ করতে থাকে।
Manual7 Ad Code
এব্যাপারে যতরপুর এলাকার সাবেক মেম্বার ডা: রোশন মিয়া, হাজী জমির মিয়া, রহমান খাঁ, সাবেক মেম্বার সোহেল, খেজুর মিয়া বলেন, এলাকার প্রায় ৫০ টি পরিবার রাস্তার জন্য মৌলভীবাজার সদরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। আর এই সমস্যা সমাধানে কুয়েত প্রবাসী সামছুল মিয়া সাড়ে ৫ লাখ টাকা দিয়ে তাদের আত্নীয় মিলাদ হোসেনের নিকট থেকে .১২ শতক জমি ক্রয় করেন। তখন মিলাদ হোসেন তার ভাই বিদেশ যাওয়া নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারনে সরল বিশ্বাসে জমি রেজিষ্ট্রারী করা হয়নি। যার ফলে পরবর্তীতে মিলাদ হোসেন বিক্রির কথা অস্বীকার করে।
Manual1 Ad Code
এব্যাপারে কয়েক বার এলাকায় বিচার সালিশ হয়। মিলাদ হোসেন সালিশের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে পরবর্তীতে তা কার্যকর করেনি। এটা একটা চরম প্রতারনা। এলাকার স্বার্থে মিলাদ হোসেন তার বিক্রিত জমি রাস্তার জন্য ছেড়ে দেওয়া উচিৎ বলে এলাকাবাসী মনে করেন।