জলঢাকায় রিমান্ডে থাকা চোরের তথ্য মতে ৩২ টি মোটরসাইকেল উদ্ধার,গ্রেফতার ১
জলঢাকায় রিমান্ডে থাকা চোরের তথ্য মতে ৩২ টি মোটরসাইকেল উদ্ধার,গ্রেফতার ১
editor
প্রকাশিত মে ১৮, ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ণ
Manual1 Ad Code
মনিরুজ্জামান লেবু নীলফামারী প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর জলঢাকায় গ্রেফতারকৃত মোটরসাইকেল চোর চক্রের মুল হোতা, রিমান্ডে থাকা আসামি শাহিন মিয়ার তথ্য মতে চোরাই সন্দেহে বিভিন্ন কোম্পানির ৩২ টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।
রোববার (১৭মে) দুপুর থেকে শেষ বিকেল পর্যন্ত উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের টেংগনমারী বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মের্সাস আসিফ ট্রেডার্স নামে একটি মোটরসাইকেল গ্যারেজের পিছনে তিনটি পৃথক গোডাউন থেকে এসব মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।
এ ঘটনায় পুরাতন মোটরসাইকেল কেনাবেচা ব্যবসায়ী ওই গ্যারেজ ও গোডাউনের মালিক আব্বাস আলী কে গ্রেফতার করা হয়েছে।
থানা সুত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পৌর শহরসহ
উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে প্রায়ই মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছিল। এসব ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে সক্রিয় হয় পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় গত শুক্রবার রাতে উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের দিঘলটারী গ্রামের মমিনুর রহমানের ছেলে মোটরসাইকেল চোর চক্রের মুল হোতা শাহিন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে আগের তিনটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করলে তাকে পুনরায় জলঢাকা থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ।
রিমান্ডের প্রথম দিনেই চোর শাহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জলঢাকা থানার ওসি নাজমুল আলম এর নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দল টেংগনমারী বাজার এলাকায় মের্সাস আসিফ ট্রেডার্সে অভিযান পরিচালনা করে। সেই দোকানে রাখা মোটরসাইকেলগুলো দেখে সন্দেহজনক মনে হলে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে দোকান মালিকের তিনটি গোপন গোডাউন থেকে ৩২টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
এঘটনায় জলঢাকা থানা অফিসার ইনচার্জ নাজমুল আলম জানান, চোর চক্রের মূলহোতা শাহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর প্রকৃত মালিক শনাক্তে কাজ চলছে। যাদের মোটরসাইকেল হারিয়েছে তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে থানায় যোগাযোগ করলে যাচাই-বাছাই শেষে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাদের মোটরসাইকেল বুঝিয়ে দেওয়া হবে।তিনি আরও বলেন, শাহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে। তদন্তে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।