প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, ভাঙারিতে বিক্রি
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোনের তার চুরি, ভাঙারিতে বিক্রি
editor
প্রকাশিত জুন ৪, ২০২৬, ০৫:৫৭ অপরাহ্ণ
Manual2 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ সচিবালয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তামার তার চুরির ঘটনায় চোরাই মাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সচিবালয়ের এক আউটসোর্সিং কর্মী ও এক ভাঙারি ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের রেড টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনায় রঞ্জন চন্দ্র (২৫) ও রেজাকুল ইসলাম (৩২) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে সিটিটিসি। বিকেলে সিটিটিসির একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
সিটিটিসি জানায়, সম্প্রতি সচিবালয়ে রেড টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনা প্রকাশ্যে এলে তা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে বিটিসিএল কর্তৃপক্ষ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
Manual1 Ad Code
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় সিটিটিসির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ তদন্ত শুরু করে। তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্রকে বৃহস্পতিবার দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়।
Manual1 Ad Code
জিজ্ঞাসাবাদে রঞ্জন স্বীকার করেন, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি তারগুলো চুরি করেন। পরে ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে একটি ভাঙারি দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে মোট ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার বিক্রি করেন।
Manual1 Ad Code
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেখানো মতে রাজধানীর হোসেনী দালান রোডের একটি গুদাম থেকে চুরি হওয়া তামার তার উদ্ধার করা হয়।
Manual6 Ad Code
প্রাথমিক তদন্তে সিটিটিসির ধারণা, সচিবালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের তার চুরির সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত থাকতে পারে। এ চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্তে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমরা দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছি এবং ৮ কেজি চুরি হওয়া তার উদ্ধার করেছি। তার বিক্রির সঙ্গে জড়িত ভাঙারি দোকানের মালিককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’