বাংলার চিরায়ত ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে পরিচিত ‘ কাছিটান’ খেলার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলো গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার পিরোজপুর দিঘুলি গ্রামে। ৪ এপ্রিল শুক্রবার বিকেলে কড়িহাতা বিএনপি ৫ নং ওয়ার্ড আয়োজনে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনাল কাছিটান খেলায় অংশগ্রহণ করেন পিরিজপুর সিকদার বাড়ি একাদশ বনাম বেহাইদুয়ার একাদশ।
প্রতিযোগিতাটি দেখতে গ্রামের নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-যুবকসহ নানা বয়সের মানুষ ভিড় করেন মাঠে। কাছিটান খেলায় প্রতিযোগীরা দুটি দলে বিভক্ত হয়ে কাছি ধরে টান দেন। যে দল অন্য দলকে নির্দিষ্ট সীমারেখার বাইরে টেনে আনতে পারে, সেই দল বিজয়ী হয়।
কড়িহাতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট মোঃ লুতফুর রহমানের সভাপতিত্বে খেলায় প্রধান অতিথি ছিলেন গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক ও কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহ্ রিয়াজুল হান্নান।
পৃষ্ঠপোষক ছিলেন কড়িহাতা ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক হারুন অর রশিদ, কড়িহাতা ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুল্লাহ, হাইলজোর কলেজের ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ রফিকুল ইসলাম খান কেসলু।
পুরস্কার বিতরণে কড়িহাতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম মোল্লা, সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন তরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ বদরুজ্জামান বেপারী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান, কাপাসিয়া ডিগ্রী কলেজে ক্রীড়া শিক্ষক আনোয়ার সাদেক জামান, উপজেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক মোফাজ্জল হোসেন খান, গাজীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাসান মাহমুদ টিপু, কড়িহাতা ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এডভোকেট মোঃ রফিকুল ইসলাম, ৫ ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মোঃ মাজহারুল ইসলাম সিকদার লিটন মোক্তার, কড়িহাতা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ফারুক হোসেন, টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক ও ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি তরুণ সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক, টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটি সদস্য সচিব ও ৫ নং ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃ জামির খান, কাউসার সিকদার, আরিফ সিকদার সহ ইউনিয়ন বিএনপির অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বেহাইদুয়ার একাদশকে পরাজিত করে পিরিজপুর সিকদার বাড়ি একাদশ দল বিজয়ী হন।অতিথিরা বিজয়ী দলকে পুরস্কার হিসেবে গরু এবং পরাজিত দলকে ছাগল প্রদান করা হয়। আয়োজক কমিটির সদস্যরা জানান, প্রতি বছর এই ধরনের আয়োজন করা হবে, যাতে গ্রামের মানুষ আনন্দ পায় এবং ঐতিহ্য সংরক্ষিত থাকে।
গ্রামবাসীরা এ প্রতিযোগিতাকে অত্যন্ত উপভোগ করেছেন এবং এমন আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।