আজ শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা উদ্বেগের: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং

editor
প্রকাশিত জুলাই ৩, ২০২৬, ১১:২৯ অপরাহ্ণ
রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা উদ্বেগের: বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কংগ্রেস সদস্য গ্রেস মেং

Manual1 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

কোনো দেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা ‘উদ্বেগের বিষয়’ মন্তব্য করে মার্কিন কংগ্রেসের সদস্য গ্রেস মেং বলেছেন, এ ধরনের প্রবণতা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ‘দুর্বল’ করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনীতি এবং প্রবাসী বাঙালিদের অধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন।

Manual6 Ad Code

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা প্রসঙ্গে গ্রেস মেং বলেন, “কোনো ব্যক্তি যদি আইন ভঙ্গ করে থাকেন, তবে অবশ্যই তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। তবে একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা উদ্বেগের বিষয় এবং এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে দুর্বল করতে পারে।”

গণতন্ত্রে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের সমাধান রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই হওয়া উচিৎ বলে মত দেন তিনি।

কুইন্সে বাংলাদেশি অধ্যুষিত এলাকা থেকে নির্বাচিত চীনা বংশদ্ভূত গ্রেস মেং মার্কিন কংগ্রেসে নিউ ইয়র্ক থেকে যাওয়া প্রথম এশিয়ান। বাংলাদেশ ককাসের (মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের সদস্যদের একটি অনানুষ্ঠানিক দল, যা বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সম্পর্ক, বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা জোরদারে কাজ করে) সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকেই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির এই কংগ্রেস সদস্য।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম: যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবসে অভিবাসীদের উদ্দেশে আপনার কোনো বার্তা আছে?

গ্রেস মেং: যুক্তরাষ্ট্র সব সময়ই অভিবাসীদের দেশ এবং অভিবাসীরা এ দেশের সাফল্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা আমেরিকার উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব রেখেছেন, যার সুফল আজ আমরা সবাই ভোগ করছি। সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে অভিবাসীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অন্যান্য সমৃদ্ধ ও প্রাণবন্ত অভিবাসী সম্প্রদায়ের মত বাংলাদেশি আমেরিকানরাও যুক্তরাষ্ট্রের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাঠামোর সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। অভিবাসীর সন্তান হিসেবে আমার দৃঢ় বিশ্বাস, অভিবাসীদের অভিজ্ঞতা ও আমেরিকার ইতিহাস একে অপরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমরা যখন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছি, তখন অভিবাসীরা আমেরিকাকে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্রে পরিণত করতে যে অবদান রেখেছেন, সেটিও যথাযথভাবে উদযাপন করা উচিত।

Manual1 Ad Code

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম: অভিবাসীদের কঠোর পরিশ্রমে যুক্তরাষ্ট্র আজ বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশে পরিণত হয়েছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ধারাবাহিকভাবে অভিবাসীবিরোধী পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে অভিবাসীদের সুরক্ষার জন্য কী করণীয়?

গ্রেস মেং: অভিবাসীদের ভয়ের মধ্যে জীবনযাপন করতে বাধ্য করা মানবিক ও নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য। আইসের (মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট) বিভিন্ন অভিযানের কারণে অনেক সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই আমার নির্বাচনি এলাকার বাসিন্দাদের কাছ থেকে এমন অভিযোগ পাই, যারা আইসের অভিযানের ভুক্তভোগী। আমি এবং আমার দল পরিবারগুলোকে বিচ্ছিন্ন হওয়া থেকে রক্ষার জন্য নিরলসভাবে কাজ করছি। গুরুতর অপরাধীদের পরিবর্তে কঠোর পরিশ্রমী ও আইন মেনে চলা মানুষদের আটক করা কোনভাবেই জননিরাপত্তা নিশ্চিত করে না।

আমি মনে করি, বর্তমান কাঠামোয় আইসের কার্যক্রম পুনর্মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। এ কারণে আমি আইসের অতিরিক্ত অর্থায়নের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছি এবং সংস্থাটির জবাবদিহিতা নিশ্চিতে একটি আইনের প্রস্তাব করেছি। এর মাধ্যমে আইস কর্মকর্তাদের ব্যাজ নম্বর দৃশ্যমান রাখা বাধ্যতামূলক করা হবে, সংস্থাটিকে বিচার বিভাগের প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে, ২৬ ফেডারেল প্লাজার মত স্থানে রুটিন চেকিংয়ের সময় ব্যাপক আটক এড়াতে অভিবাসীদের ভার্চুয়াল চেক-ইনের সুযোগ দেওয়া হবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম: যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে নথিপত্রহীন অবস্থায় বসবাসরত অনেকেই কঠোর পরিশ্রম করছেন এবং দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। তাদের জন্য গ্রিনকার্ডের ব্যবস্থা করতে কংগ্রেসের কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি?

গ্রেস মেং: যুক্তরাষ্ট্রের ভেঙে পড়া অভিবাসন ব্যবস্থার স্থায়ী সমাধানের জন্য একটি ব্যাপক অভিবাসন সংস্কার অপরিহার্য। কংগ্রেসের সদস্য হওয়ার পর থেকেই আমি এ ধরনের সংস্কারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে আসছি।

এই সংস্কারের মধ্যে থাকবে অভিবাসন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, বৈধ আবেদনগুলোর দীর্ঘসূত্রিতা কমান, মানবিক উপায়ে আশ্রয় প্রার্থনার আবেদন নিষ্পত্তি, লাখ লাখ অভিবাসীর জন্য বৈধভাবে বসবাস ও কাজের সুযোগ সৃষ্টি করা, যাতে একদিন তারা গর্বিত মার্কিন নাগরিক হতে পারেন।

দুঃখজনকভাবে কার্যকর সমাধান খোঁজার পরিবর্তে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও কংগ্রেসের রিপাবলিকান সদস্যরা এ সংকট মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন। আমি অভিবাসন সংস্কারের পক্ষে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখব এবং এ বিষয়ে দ্বিদলীয় সহযোগিতার আহ্বান জানিয়ে যাব।

Manual1 Ad Code

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম: কংগ্রেশনাল বাংলাদেশ ককাস দীর্ঘদিন ধরে নিষ্ক্রিয়। এটিকে আবার কার্যকরের বিষয়ে কোনো আগ্রহ আছে কি?

গ্রেস মেং: কংগ্রেশনাল বাংলাদেশ ককাস একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিদলীয় প্ল্যাটফর্ম, যার লক্ষ্য বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক জোরদার করা এবং বাংলাদেশি-আমেরিকানদের স্বার্থ রক্ষা করা। এই ককাসের সদস্য হতে পেরে আমি গর্বিত। আশা করি, ভবিষ্যতে ককাসের আরও সভা, আলোচনা ও কার্যক্রম হবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম: বাংলাদেশি আমেরিকান সম্প্রদায় সম্পর্কে রাজনীতিবিদ ও প্রশাসনের মূল্যায়ন কি?

গ্রেস মেং: কংগ্রেসে দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিন থেকেই আমি বাংলাদেশি আমেরিকান সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আসছি। তাদের স্বার্থ রক্ষায় আমি সবসময় সক্রিয় থেকেছি, গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নে সমর্থন দিয়েছি। বিভিন্ন উদ্বেগের সমাধানে কাজ করেছি এবং ফেডারেল প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনে সহায়তা করেছি।

প্রতি বছর আমি অসংখ্য বাংলাদেশি আমেরিকান কমিউনিটির অনুষ্ঠান, সামাজিক উদ্যোগ এবং স্থানীয় নেতাদের আয়োজনে অংশগ্রহণ করি। এমন একটি প্রাণবন্ত ও কর্মঠ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। ওয়াশিংটন ডিসিতে তাদের কণ্ঠস্বর হতে পেরে আমি গর্বিত। ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম: বাংলাদেশি আমেরিকানদের পক্ষে আপনি কোন বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছেন?

গ্রেস মেং: বাংলাদেশি আমেরিকান সম্প্রদায়ের স্বার্থে আমি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ করছি। এর মধ্যে রয়েছে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহাকে ফেডারেল ছুটির দিন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের সরকারি স্বীকৃতির জন্য আইন প্রস্তাব। এ ছাড়া ইসলামোফোবিয়াসহ সব ধরনের ঘৃণাজনিত অপরাধ মোকাবিলার জন্য আইন প্রণয়নে আমি কাজ করেছি।

হালাল খাদ্যের প্রাপ্যতা বাড়ানো, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা জোরদার এবং মসজিদ, অলাভজনক সংস্থা ও ধর্মভিত্তিক সংগঠনগুলোকে সুরক্ষিত রাখার জন্যও উদ্যোগ নিয়েছি। আমি এশিয়ান আমেরিকান, নেটিভ হাওয়াইয়ান ও প্যাসিফিক আইল্যান্ডার সম্প্রদায়ের ইতিহাস এবং সংস্কৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রথম জাতীয় জাদুঘর প্রতিষ্ঠার জন্য একটি বিল পাসে ভূমিকা রেখেছি। পাশাপাশি বাংলাদেশের ওপর আরোপিত ভিসা নিষেধাজ্ঞার বিরোধিতা করেছি এবং ভবিষ্যতেও সে অবস্থান বজায় রাখব।

বর্তমানে আমি ‘কংগ্রেশনাল এশিয়ান প্যাসিফিক আমেরিকান ককাস এর চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছি এবং দেশজুড়ে এশিয়ান-আমেরিকান জনগোষ্ঠীর অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছি।

ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম: রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?

গ্রেস মেং: আমি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশে মানবাধিকার রক্ষার পক্ষে কথা বলে আসছি এবং ক্ষমতায় কে রয়েছে তার ভিত্তিতে আমার অবস্থান পরিবর্তিত হবে না। মানবাধিকার কোনো রাজনৈতিক দলের বিষয় নয়; এটি একটি সার্বজনীন মূল্যবোধ। যুক্তরাষ্ট্র মানবাধিকার সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে অন্যদের জন্য উদাহরণ স্থাপন করে।

Manual2 Ad Code

যে কোনো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি চাই বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক তাদের পূর্ণ সম্ভাবনায় পৌঁছাক। সেই লক্ষ্যেই দেশে ও বিদেশে মানবাধিকার সমুন্নত রাখার পক্ষে আমার সমর্থন অব্যাহত থাকবে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম: বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?

গ্রেস মেং: চলতি বছরের শুরুতে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত নির্বাচন অনেকের কাছে ইতিবাচক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে এবং পর্যবেক্ষকদের মতে তা তুলনামূলকভাবে অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল। যদিও কিছু চ্যালেঞ্জ এখনো রয়ে গেছে। কোনো ব্যক্তি যদি আইন ভঙ্গ করে থাকেন, তবে অবশ্যই তাকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। তবে একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা উদ্বেগের বিষয় এবং এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে দুর্বল করতে পারে। গণতন্ত্রে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের সমাধান হওয়া উচিৎ রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম: যুক্তরাষ্ট্রে আসন্ন নভেম্বরের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে অভিবাসীদের স্বার্থ রক্ষায় তাদের বিশেষ কোনো পরিকল্পনা আছে কী?

গ্রেস মেং: নিশ্চয়ই। ডেমোক্র্যাটরা যদি প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে পারে, তাহলে আমরা নির্বাহী বিভাগের ওপর কংগ্রেসের সাংবিধানিক তদারকি আরো কার্যকরভাবে প্রয়োগ করব। আমরা আইসসহ বিভিন্ন ফেডারেল সংস্থার জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেব। একইসঙ্গে অভিবাসন সংস্কার, অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষা এবং আমার প্রস্তাবিত আইস সংস্কার বিলের মত গুরুত্বপূর্ণ আইন পাসের সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পাবে। আমাদের লক্ষ্য হবে এমন একটি অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা একইসঙ্গে মানবিক, কার্যকর এবং ন্যায়ভিত্তিক।

তথ্য সুএঃ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর