আজ মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মানুষের ঢল

editor
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৪, ২০২৪, ০৫:১১ পূর্বাহ্ণ

Manual6 Ad Code

টাইমস নিউজ 

 

Manual3 Ad Code

মিরপুর শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে মানুষের ঢল নেমেছে। ফুলেল শ্রদ্ধায় জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করছেন সাধারণ মানুষ। ভোর থেকেই বিভিন্ন সংগঠন ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে কবরস্থানে আসতে দেখা যায়।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের দোসর রাজাকার, আলবদর ও আলশামসরা মিলে দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক, লেখক, সাংবাদিক, প্রকৌশলীসহ মেধাবী বুদ্ধিজীবীদের নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। যাদের অধিকাংশকেই সমাহিত করা হয় মিরপুরের শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে। তাদের স্মরণেই সকাল থেকে কালো ব্যাজ ধারণ করে শহিদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে আসছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষজন।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধান উপদেষ্টা শ্রদ্ধা জানানোর পর সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয় বুদ্ধিজীবী কবরস্থান প্রাঙ্গণ।

Manual6 Ad Code

দেখা গেছে, ফুল নিয়ে শহিদ পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষজন শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। কবরস্থানের ভেতর থেকে বাইরে পর্যন্ত মানুষের দীর্ঘ লাইন। এসময় শহিদ পরিবারের সদস্যরা তাদের প্রিয়জনের কবরের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনেকেই কবরের পাশে চোখের পানি ফেলেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অনেক সাধারণ মানুষকেও শহিদদের কবরের সামনে নীরবে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। আবার অনেককে ফাতেহা পাঠ করে শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাত করতে দেখা গেছে।

Manual5 Ad Code

এর আগে, মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সকাল ৭টা ৫ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি, পরে প্রধান উপদেষ্টা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে কিছু সময় নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা। এসময় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরাসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Manual4 Ad Code