আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে মানুষের আক্রমণের শিকার হচ্ছে পুলিশ : বাহারুল আলম
আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে মানুষের আক্রমণের শিকার হচ্ছে পুলিশ : বাহারুল আলম
editor
প্রকাশিত মার্চ ৬, ২০২৫, ০৪:৪১ অপরাহ্ণ
Manual1 Ad Code
টাইমস নিউজ
Manual5 Ad Code
আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে মানুষের আক্রমণের শিকার হচ্ছে পুলিশ, বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম। তিনি বলেছেন, ‘৫ আগস্ট-পরবর্তী অপরাধী পুলিশ সদস্যদের বিচারের আওতায় এনে ও সরিয়ে দিয়ে পুলিশ বাহিনীকে স্বগৌরবে ফেরানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
এরপরও আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ বাধার মুখে পড়ছে, পুলিশের ওপর আক্রমণ করা হচ্ছে। উল্টো পথে যান চলাচল বন্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে ট্রাফিক পুলিশের ওপর সাইকেল চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এগুলো বন্ধ করতে হবে।’
Manual3 Ad Code
বৃহস্পতিবার (০৬ মার্চ) সকালে রংপুরে একটি কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইজিপি এসব কথা বলেন। ‘দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মানবাধিকার ও পরিবেশের গুরুত্বসহ আইন প্রয়োগ’ শীর্ষক দিনব্যাপী কর্মশালাটি রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজন করা হয়।
আইজিপি বলেন, ‘নাগরিক সমাজের প্রতি আমার অনুরোধ, পুলিশকে আপনারা আবার কাছে টেনে নিন। পুলিশকে কাজ করতে সহায়তা করেন। দেশে বিভিন্ন জায়গায় দেখা গেছে, পুলিশ আইন প্রয়োগ করতে গিয়ে মানুষের আক্রমণের শিকার হচ্ছে। এটা আবেগের বিষয়। হয়তোবা তাদের অতীত স্মৃতি মনে করে দেয় যখন পুলিশ অন্যায়ভাবে মানুষের ওপর আক্রমণ করেছে, অন্যায় আচরণ করেছে এবং গণবিরোধী আচরণ করেছে।’
Manual5 Ad Code
পুলিশকে আবার মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলার চেষ্টা হচ্ছে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, ‘৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে আমরা চেষ্টা করছি যারা অপরাধী (পুলিশ), তাদের বিচারের আওতায় এনে ও সরিয়ে দিয়ে পুলিশকে আবার স্বগৌরবে ফিরিয়ে আনতে, কর্মক্ষম করে তুলতে।’
Manual6 Ad Code
বাহারুল আলম আরও বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানের মামলাগুলো সঠিক তদন্ত ও বিচারের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে হবে। যদি নিষ্পত্তি না করা হয় এবং মানুষ যদি ন্যায়বিচার না পায়, তাহলে জাতি আমাদের ক্ষমা করবে না। এ জন্য বিচারক, সরকারি কৌঁসুলি, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সবার একটি সম্মিলিত প্রয়াসের দরকার।’
কর্মশালায় রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার শহিদুল ইসলাম, রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি আমিনুল ইসলাম, রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মজিদ আলী, আট জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা ও দায়রা জজ, ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক, সরকারি কৌঁসুলি ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) উপস্থিত হয়েছেন।