রাত ১০টা ১ মিনিটে সমবেত কণ্ঠে হরি লীলামৃত পাঠ শুরু হয়। তখন শঙ্খধ্বনি ও হরিবোল ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠে আশপাশের এলাকা। এ সময় ভক্তরা যার যার জায়গায় দাঁড়িয়ে গ্রন্থ পাঠ করেন।
Manual2 Ad Code
মতুয়া ভক্ত সুমিত সাধু, তনুশ্রী মণ্ডল, অনুরাধা বিশ্বাস, শ্রীতমা বালা, মিতু বল এবার গ্রন্থ পাঠে অংশ নিয়েছেন।
Manual6 Ad Code
সুমিত সাধু বলেন, “হরিচাঁদ ঠাকুরের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আত্মশুদ্ধি এবং বিশ্ব মানবতার মঙ্গল কামনায় সম্মিলিত পাঠে অংশ নিয়েছি। প্রতি বছর আমরা ওড়াকান্দির পূণ্য স্নানে যোগ দিতে প্রতীক্ষায় থাকি। এবার লাখো কণ্ঠে হরি লীলামৃত পাঠ অনুষ্ঠানটি বিশেষ মাত্রা যোগ করেছে।”
ওড়াকান্দি ভক্ত বিশ্রামস্থলের উদ্যোক্তা গৌরাঙ্গ মণ্ডল বলেন, “অত্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে এই গণপাঠ সম্পন্ন হয়েছে।”
পাঠ অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা রতন মণ্ডল বলেন, “মানুষের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া পাওয়ার কারণে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আমরা সবাই মনে করি, এর মধ্য দিয়ে আমরা ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলাম।”