মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের রাজঘাট ইউনিয়নের বর্মাছড়া চা বাগানে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় প্রতিজন উপকারভোগীকে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও বাস্তবে দেওয়া হচ্ছে ২৬ থেকে ২৮ কেজি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রকাশ ভৌমিক নামের একজন ডিলারের মাধ্যমে ৩টি ওয়ার্ডের মোট ৪৮২ জন উপকারভোগীর মধ্যে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ করা হয়। তবে গত ২১ সেপ্টেম্বর (রবিবার) সকালে সরেজমিনে উপকারভোগীদের বস্তা মেপে দেখা যায়—কোথাও ২৮ কেজি, কোথাও ২৬ কেজি চাল রয়েছে।
Manual1 Ad Code
প্রতি মাসের সোমবার, মঙ্গলবার ও বুধবার চাল বিতরণের নিয়ম থাকলেও ডিলার একদিন আগে, রবিবার থেকেই বিতরণ শুরু করেন। উপকারভোগীরা অভিযোগ করেছেন—ডিলার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যোগসাজশে নিয়মিত ওজনে কারচুপি চলছে, এতে হতদরিদ্ররা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
Manual6 Ad Code
এ বিষয়ে ডিলার প্রকাশ ভৌমিক বলেন, ৫০ কেজির বস্তায় প্রতি ২ কেজি ঘাটতি থাকায় আমি ২৮ কেজি করে দিয়েছি।
Manual6 Ad Code
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা দীপক কুমার মন্ডল বলেন,খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীরা অবশ্যই ৩০ কেজি করেই চাল পাবেন। এখানে কোন ঘাটতি চাল বাদ দেওয়ার নিয়ম নেই। আমি সরেজমিনে দেখেছি ২৮ কেজি দেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে ডিলারের ডিলারশিপ বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।