দেশে নারী-শিশু নির্যাতন বৃদ্ধি ও সিলেটে র্যাব সদস্য খুনের প্রতিবাদে ‘সিলেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’-এর মানববন্ধন
দেশে নারী-শিশু নির্যাতন বৃদ্ধি ও সিলেটে র্যাব সদস্য খুনের প্রতিবাদে ‘সিলেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’-এর মানববন্ধন
editor
প্রকাশিত মে ২৫, ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ণ
Manual2 Ad Code
উৎফল বড়ুয়া, সিলেট
সারাদেশে রামিসা, ফাহিমা সহ ক্রমাগত নারী ও শিশু ধর্ষণ, নৃশংস হত্যা, সিলেটে কিশোর গ্যাংয়ের হামলায় র্যাব সদস্য ইমন আচার্য খুন এবং হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে মানববন্ধন করেছে সিলেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ। একই সাথে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি রুখতে ধর্ষক ও পেডোফাইলদের সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) এবং দেশের সকল মা-বোনের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
সোমবার (২৫ মে) বাদ আছর ঐতিহাসিক সিলেট কোর্ট পয়েন্টে ‘সিলেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’-এর উদ্যোগে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। নগরীর সর্বস্তরের জনসাধারণ, ওলামায়ে কেরাম এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন।
সিলেট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা মুফতি ফয়জুল হক জালালাবাদী এর সভাপতিত্বে ও মওলানা হুসাইন আহমদ ও কামাল আহমদের যৌথ পরিচালনায় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সিলেট গণদাবি পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি অধ্যাপক শফিকুর রহমান চৌধুরী, মাওলানা আসলাম রাহমানী, সাংবাদিক উৎফল বড়ুয়া, সিলেট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এইচ এম কিউ মইনুল ইসলাম আশরাফী, সিলেট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মওলানা হুসাইন আহমদ মাদানি, উপদেষ্টা মওলানা রফিকুল ইসলাম, দুনীতি মুক্তকরণ বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মকসুদ আহমদ, সিলেট ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা হাফিজ হাবিব আহমদ, কেন্দ্রীয় সদস্য কবি কামাল আহমদ, সিলেট ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মওলানা খায়রুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সদস্য মির নাজিম উদ্দীন, রুবেল আহমদ, মোহাম্মদ মামুন আহমদ, মওলানা তাজুল ইসলাম, হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি মওলানা জালালউদ্দিন জালালী, সিলেট ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় সদস্য মো. ময়না মিয়া, সিলেট ফাউন্ডেশন মহানগর সভাপতি মওলানা মনিরুজ্জামান, কাজি শরিফ আহমদ, সোহেল আহমদ, ইমরান আহমদ, কুদ্দুস মিয়া,সরুয়ার আহমদ চৌধুরী, মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আজকে আমাদের মা-বোন ও শিশুরা নিজের ঘরেও নিরাপদ নয়। রামিসা ও ফাহিমার মতো নিষ্পাপ শিশুদের যারা ধর্ষণ ও হত্যা করে, তারা মানুষ নামের কলঙ্ক। এই পেডোফাইল ও ধর্ষকদের কোনো মানবাধিকার থাকতে পারে না। সমাজ থেকে এই পচন দূর করতে হলে এদের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসি নিশ্চিত করতে হবে এবং তা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে কার্যকর করতে হবে।
বক্তারা আরও বলেন, সিলেটে যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে র্যাব সদস্য ইমনকে খুন করা হয়েছে, তা প্রমাণ করে অপরাধীদের দুঃসাহস কতটা বেড়েছে। আমরা সিলেটে আর কোনো নৈরাজ্য দেখতে চাই না। অবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে হবে।