আজ বুধবার, ৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক সই

editor
প্রকাশিত মে ১৫, ২০২৬, ০২:৩৫ পূর্বাহ্ণ
জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক সই

Manual3 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual2 Ad Code

বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী করতে ও কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ওয়াশিংটন ডিসির মার্কিন জ্বালানি দপ্তরে (ডিওই) এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

Manual6 Ad Code

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট যখন চরমে, তখন এই চুক্তি বাংলাদেশের জন্য বড় এক স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশ সাশ্রয়ী মূল্যে মার্কিন এলএনজি, এলপিজি এবং অন্যান্য জ্বালানি পণ্য আমদানির সুযোগ পাবে। এটি কেবল জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণই করবে না, বরং সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

Manual4 Ad Code

চুক্তি অনুযায়ী, তেল, গ্যাস, ভূতাপীয় এবং জৈবশক্তির মতো খাতগুলোতে উভয় দেশ নিজেদের জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময় করবে। এই সহযোগিতার আওতায় সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উন্নত গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশের জ্বালানি খাতকে আধুনিকায়ন করার সুযোগ তৈরি হবে।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এই সমঝোতা স্মারককে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি এই উদ্যোগে সমর্থনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান। অন্যদিকে, মার্কিন জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এই চুক্তিকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতি’ বলে বর্ণনা করেন।

Manual1 Ad Code

উক্ত অনুষ্ঠানে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা এবং মার্কিন জ্বালানি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই চুক্তির ফলে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশের শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে জ্বালানি সংকট মোকাবিলা করা আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।