পাকিস্তানে একযোগে ১২ স্থানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত অন্তত ৪৭
পাকিস্তানে একযোগে ১২ স্থানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত অন্তত ৪৭
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ০৪:০৪ অপরাহ্ণ
Manual3 Ad Code
আন্তর্জাতিক অনলাইন ডেস্ক:
পাকিস্তানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় বেলুচিস্তান প্রদেশের ১২টি স্থানে একযোগে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। এ সময় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ১০ সদস্য নিহত হয়েছেন। নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৩৭ সন্ত্রাসীও নিহত হয়েছেন বলে দেশটির সামরিক বাহিনী জানিয়েছে।
Manual3 Ad Code
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) পাকিস্তানের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ডনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, বেলুচিস্তানজুড়ে ১২টি স্থানে একযোগে হামলা হয়েছে।
দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সূত্র বলেছে, ভারতের মদতপুষ্ট ‘ফিতনা আল হিন্দুস্তান’ গোষ্ঠীর সদস্যরা বেলুচিস্তানজুড়ে ১২টি স্থানে হামলা চালিয়েছেন। তিনি বলেন, সময়োপযোগী ও কার্যকর পদক্ষেপের ফলে তাদের সব হামলাই ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে।
ওই সূত্র বলেছে, ফিতনা আল হিন্দুস্তানের সঙ্গে যুক্ত ৩৭ জন সন্ত্রাসীকে ‘‘নরকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’’ দেশটির অপর এক নিরাপত্তা সূত্র বলেছে, ‘‘সন্ত্রাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের ১০ সদস্য নিহত হয়েছেন।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম রেডিও পাকিস্তানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান ও সংঘর্ষ এখনও চলছে। এতে বলা হয়, এই অভিযানে আরও কয়েকজন সন্ত্রাসীর হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যাচ্ছে।
আরেকটি নিরাপত্তা সূত্র বলেছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় বেলুচিস্তানে মোট ৮৮ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার প্রদেশটির হারনাই ও পাঞ্জগুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চালানো অভিযানে অন্তত ৪১ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন।
Manual2 Ad Code
এর আগে, শনিবার বেলুচিস্তানের প্রাদেশিক সরকারের কর্মকর্তা শাহিদ রিন্দ বলেন, বেলুচিস্তানের কয়েকটি স্থানে সন্ত্রাসী হামলার চেষ্টা পুলিশ ও ফ্রন্টিয়ার কোর (এফসি) ব্যর্থ করে দিয়েছে।
Manual6 Ad Code
প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও গণমাধ্যমবিষয়ক বিশেষ সহকারী রিন্দ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, গত দুই দিনে প্রদেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ৭০ জনের বেশি সন্ত্রাসী নিহত হওয়ার পরপরই এসব হামলা হয়েছে।
দেশটির সংবাদমাধ্যম ডন বলছে, হামলার পর কুয়েটা, সিবি ও চামানে মোবাইল ফোন সেবা চালু থাকলেও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বেলুচিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী মীর জহুর আহমেদ বুলেদি সরকারি সম্পদের ক্ষতি এবং নাগরিকদের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
এক্সে তিনি লেখেন, এই সহিংসতার সঙ্গে জড়িত অপরাধীরা বেলুচিস্তানকে জিম্মি করতে পারবে না। জনগণের সমর্থনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সন্ত্রাসীদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে।