আওয়ামী লীগের টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন তিনি। প্রায় দুই বছর হলো দেশে ফিরতে পারেননি সাবেক এই বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
Manual7 Ad Code
সাকিবের নামে হত্যাসহ বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। মামলা থেকে নাম উঠিয়ে নিতে একটি পক্ষ ১ কোটি টাকা চেয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন সাবেক এই টাইগার অধিনায়ক। প্রথম আলোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন সাকিব।
Manual8 Ad Code
দেশে এলে গ্রেপ্তারের ভয় আছে কি না এমন প্রশ্নে সাকিব বলেন, ‘বিষয়গুলো এখন যেখানে আছে, সেখানে গ্রেপ্তারের কোনো ভয় আছে বলে আমার মনে হয় না। দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞাটাই একমাত্র সমস্যা। তারপরও যদি জোর করে কেউ কিছু (গ্রেপ্তার) করতে চায়, সেখানে তো আসলে আমার কিছু করার নেই। ওটা নিয়ে চিন্তাও নেই আমার। গ্রেপ্তার হওয়াটা সমস্যা না।’
Manual4 Ad Code
সাকিব জানান টাকাপয়সার বিনিময়ে মামলা থেকে তাকে রেহাই দেওয়ার প্রস্তাব দেয় একটি মহল। তিনি বলেন, ‘এক কোটি টাকা দিলে আমার নাম কেস থেকে উঠিয়ে দেবে। তবে যে বা যারা টাকাটা দাবি করছে, তাদের ধারণা নেই যে কেসটা যেহেতু করে ফেলেছে, এখন চাইলেও তারা নাম ওঠাতে পারবে না। বা তারা ওঠালেও পুলিশ যে ওঠাবে বিষয়টা তা না। আলটিমেটলি পুলিশের থেকেই এটার ক্লিয়ারেন্স আসতে হবে যে আমার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।’
Manual1 Ad Code
বাদীপক্ষ থেকে এই প্রস্তাব দেওয়া হয় জানিয়ে সাকিব বলেন, ‘এফআইআরে বাদীপক্ষে যার নাম আছে যোগাযোগ করার জন্য, তিনি দু-একজনের মাধ্যমে যোগাযোগটা করেছেন। কাদের মাধ্যমে, আমি তাদের নাম বলতে চাচ্ছি না।’সুএ: ইত্তেফাক