বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করে প্রচার শুরু বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর
বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করে প্রচার শুরু বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর
editor
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ১২:৩৫ অপরাহ্ণ
Manual7 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক:
গোপালগঞ্জে গতকাল শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সের তিন নম্বর গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে কবর জিয়ারত করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবুর রহমান
শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু করেছেন গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গিপাড়া–কোটালীপাড়া) আসনে বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হাবিবুর রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রচারণা শুরু করেন।
Manual2 Ad Code
হাবিবুর রহমান টুঙ্গিপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি এবং জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য। দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁর নির্বাচনী প্রতীক ফুটবল। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার অভিযোগে গত বুধবার হাবিবুর রহমানসহ জেলার তিন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি। তাঁদের দলে প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এস এম জিলানী।
Manual7 Ad Code
গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে হাবিবুর রহমান টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গওহরডাঙ্গা খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরীর কবর জিয়ারত করেন। এরপর শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ কমপ্লেক্সে কবর জিয়ারতের জন্য যান। তবে গেট বন্ধ ছিল। পরে তিনি ৩ নম্বর গেটের বাইরে দাঁড়িয়ে কবর জিয়ারত করেন। সেখান থেকেই তিনি তাঁর নির্বাচনী প্রতীক ফুটবল নিয়ে প্রচারণা শুরু করেন।
Manual2 Ad Code
পরে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বর ও পাটগাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় গণসংযোগ করেন হাবিবুর রহমান। এ সময় তিনি সাধারণ মানুষের কাছে ভোট ও সমর্থন চান।
Manual7 Ad Code
হাবিবুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘গোপালগঞ্জ-৩ সংসদীয় আসন বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। এখানে শায়িত আছেন স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং আলেম সমাজের উজ্জ্বল নক্ষত্র আল্লামা শামছুল হক ফরিদপুরী। তাঁদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখে আমি নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছি।’
হাবিবুর রহমান জানান, একসময় তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং জেলা বিএনপির সদস্যও ছিলেন। তবে অনেক আগেই তিনি বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে দিয়েছেন। ডাক বিভাগের মাধ্যমে বিএনপির মহাসচিব বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছিলেন। ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন। তিনি এলাকার মানুষের জন্য রাজনীতি করতে চান। সব ধরনের অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান।