আজ শনিবার, ২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সামান্য বৃষ্টির পানিতে রাস্তার বেহাল দশা

editor
প্রকাশিত আগস্ট ২, ২০২৫, ০২:১৩ অপরাহ্ণ
সামান্য বৃষ্টির পানিতে রাস্তার বেহাল দশা

Manual5 Ad Code

মাহমুদুন্নবী, পত্নীতলা ( নওগাঁ ) প্রতিনিধি:

Manual6 Ad Code

নওগাঁর পত্নীতলার শিহাড়া ইউনিয়নের হলাকান্দর গ্রামের শালবাগান মোড়ের মূল রাস্তাটি অল্প বৃষ্টির পানিতেই তলিয়ে যায়। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকার কারণে বৃষ্টির পানি সড়কে এসে জমা হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে সড়কে চলাচল পথচারী ও এলাকাবাসী। হলাকান্দর ঈদগাহ মাঠ, হলাকান্দর প্রাথমিক বিদ্যালয়, হলাকান্দর সাবেদ আলি দাখিল মাদ্রাসা, উত্তরামপুর উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আলপাকা হালিমনগর কিন্ডারগার্টেন , হলাকান্দর কমিউনিটি হাসপাতাল ও হলাকান্দর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে যাবার সময় দুর্ভোগ পোহাতে হয় গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে। এছাড়া প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ। সংস্কারের অভাবে হাঁটু সমান ডুকে থাকে সড়কটি।

 

Manual6 Ad Code

বৃষ্টির পানি যে এলাকাবাসীর কাছে আর্শীবাদের বদলে অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায় এলাকার মানুষদের কাছে। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রিক্সা, মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার, অটোসহ অন্যান্য যানবাহনে প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করে। যেকোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে এই রাস্তাটি তে। স্থানীয় বাসিন্দা শিক্ষাবিদ মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, রাস্তাটি এই এলাকার প্রধান রাস্তা হিসাবেই পরিচিত। এই রাস্তা দিয়ে প্রতিনিয়ত হাজারো পথচারী, ছোট ছোট শিক্ষার্থী সহ নানা পেশার মানুষ যাতায়াত করে।জরুরি ভিত্তিতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করলে যেকোন মূহুর্তে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।

এই রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থার জন্য কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি। একাধিক গ্রামবাসী জানায়, এই রাস্তাটি সংস্কার ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় তারা সার্বিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি চায়।

Manual2 Ad Code

এবিষয়ে পত্নীতলা উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ ইমতিয়াজ জাহিরুল হক বলেন, এই রাস্তাটি আমাদের ছিলো বর্তমানে এটি সড়ক জনপদ বিভাগের অধিনে গেছে।

পরবর্তীতে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, সওজ,সড়ক উপ-বিভাগ পত্নীতলা মোঃ আহসান হাবীব এর সাথে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

Manual5 Ad Code