সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৩৬.৪৮ শতাংশ
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৩৬.৪৮ শতাংশ
editor
প্রকাশিত মে ১৫, ২০২৬, ০২:১৮ পূর্বাহ্ণ
Manual5 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual3 Ad Code
সংগঠন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। ১১ হাজার ৯৭ জন মোট ভোটারের মধ্যে এবার ভোট দিয়েছেন ৩৬.৪৮ শতাংশ অর্থাৎ ৪ হাজার ৪৮ জন আইনজীবী।
গত পাঁচ নির্বাচনের তুলনায় এবার সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) রাত ৮টা থেকে ভোট গণনা শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
গত দুই দিন (বুধ ও বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্ট মিলনায়তনে এই ভোটগ্রহণ চলে। সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৪ পদের বিপরীতে তিনটি প্যানেলে ৪০ জন প্রার্থী এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন।
বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা যে প্যানেল থেকে নির্বাচন করেন, সেটি নীল প্যানেল হিসেবে পরিচিত। এই প্যানেল থেকে এবারও সভাপতি পদে দাঁড়িয়েছেন ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। তিনি সমিতির বর্তমান সভাপতি। সম্পাদক পদে আছেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী।
Manual3 Ad Code
জামায়াতপন্থী আইনজীবীরা এবারের নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন সবুজ প্যানেল থেকে। আর লাল-সবুজ প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন এনসিপিপন্থীরা। আওয়ামীপন্থী আইনজীবী সাদা প্যানেলে নির্বাচন করে থাকেন। এবারের নির্বাচনে সাদা প্যানেল থেকে কেউ প্রার্থী হননি। তবে আওয়ামীপন্থী আখ্যা দিয়ে ৪১ জনের মনোনয়নপত্র বাতিলের অভিযোগ উঠেছে।
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী গত ২৯ এপ্রিল এই অভিযোগ তোলেন। সভাপতি পদে তিনি নিজেও প্রার্থী হয়েছিলেন।
এরপর গত ৬ মে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নির্বাচনের নতুন তফসিল ঘোষণার দাবি জানায় বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি। আর নির্বাচনের আগেরদিন গত ১২ মে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়ে সাধারণ আইনজীবীদের ভোটদান থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান আরেক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোকছেদুল ইসলাম। তিনি সম্পাদক পদে মনোনয়ন দাখিল করেছিলেন।
Manual8 Ad Code
গত পাঁচ বছরের ভোটের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের নির্বাচনে ৭ হাজার ৮৮৩ ভোটারের মধ্যে ৫ হাজারর ৩১৯ জন ভোট দেন। ২০২৩ সালে ৮ হাজার ৬০২ ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ১৩৭ জন, ২০২২ সালে ৮ হাজার ৬২৩ জনের মধ্যে ৫ হাজার ৯৮৩ জন, ২০২১ সালে ৭ হাজার ৭২১ ভোটারের মধ্যে ৫ হাজার ৬৭৬ জন এবং ২০২০ সালে ৭ হাজার ৭৮১ ভোটারের মধ্যে ৫ হাজার ৯৪০ জন ভোট দিয়েছেন। তবে এবার ভোটার বেড়ে ১১ হাজার ৯৭ হলেও ভোট দিয়েছেন মাত্র ৪ হাজার ৪৮ জন।