আজ মঙ্গলবার, ২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সামাজিক বনায়ন নার্সারী বিভাগের রেঞ্জার বিনা অনুমতিতে শাল গাছ বিক্রি করলেন

editor
প্রকাশিত নভেম্বর ২২, ২০২৫, ০৯:১১ পূর্বাহ্ণ
সামাজিক বনায়ন নার্সারী বিভাগের রেঞ্জার বিনা অনুমতিতে শাল গাছ বিক্রি করলেন

Manual5 Ad Code

মো: জাফর ইকবাল:

মৌলভীবাজার ফরেষ্ট সামাজিক বনায়ন নার্সারী বিভাগের রেঞ্জারের রাম কৃষ্ণ ঘোষ অনিয়ম দুর্নীতিতে রেকর্ড করে চলছেন। শেষ পর্যন্ত ফরষ্টের মুল্যবান শাল গাছ বিনা অনুমতিতে সাতক্ষীরা তার নিজ জেলায় একটি অনুষ্টানে দান করে দিলেন। নিজের বিশেষ ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে প্রশংসা কুড়ালেন সাতক্ষীরা জেলাবাসীর। সাংবাদিক জেনে ফেলায় রাজনৈতিক বিভিন্ন নেতার নাম বিক্রি করে ম্যানেজ করতে ব্যর্থ হয়ে বলেন, যত পারেন লিখেন। একেই বলে ক্ষমতার দাপট! বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে এনলাকায় চাঞ্চল্য। তার খুঁটির জোর কোথায়?
মৌলভীবাজার বনবিথী এলাকার নার্সারী ফরেষ্ট অফিসের রেঞ্জার রাম কৃষ্ণ ঘোষ এই অফিসে যোগ দেওয়ার পর অনিয়ম আর দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন। গত কয়েক মাস পুর্বে তার নিজ বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায় একটি অনুষ্টানের জন্য তার এলাকার কিছু ব্যক্তি একটি গাছের জন্য আসলে তিনি নিজ দপ্তরের কোন অনুমতি ছাড়া গোপনে অফিসের পাশের একটি মুল্যবান শাল গাছ কেটে দিয়ে দেন। বর্তমানে এর মুল্য হবে অন্তত এক লাখ টাকা। এই গাছের মুল্য কযেক বছর পর কয়েক লাখ টাকা হতে পারতো। এছাড়াও নার্সারীতে গাছের চারা উৎপাদন করতে সরকারী ভাবে ১ লাখ ২০ হাজার উৎপাদন করার অনুমতি থাকলেও তিনি সরকারী ব্যয়ে উৎপাদন করেন ২ লাখের অধিক।

Manual6 Ad Code

এরপর সরকারী ভাবে খাতা পত্রে অনেক চারা নষ্ট হয়ে গেছে দেখিয়ে হিসাবে আরো কম দেখান। বিক্রির সময় চারা বিক্রি সরকারী মুল্য ৯ টাকা থাকলেও তিনি বিক্রি করেন ১৫ টাকা। বিক্রির কোন রসিদও দেননা। এসময় খাতা পত্রে সরকারী চারা বিক্রি না দেখিয়ে তার ব্যক্তিগত উৎপাদনের চারা বিক্রি করেন। এছাড়াও তার উপর রয়েছে অসংখ্য অভিযোগ। সামাজিক বনায়নের গাছ মার্কিং করতে তাকে দিতে হয় ঘোষ। নতুবা তিনি মার্কিংএ যাননা।

Manual7 Ad Code

ইদানিং জীবন বীমা কর্পোরেশনে এক কর্মচারীর সামাজিক বনায়নের গাছের বাগান মার্কিং করতে মোটা অংন্কের ঘোষ নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা সিলেট রোডে সড়কও জনপথ বিভাগের গিয়াসনগর এলাকায় কিছু গাছ কাটলে ঐ গাছ গুলোর কিছু অংশ এলাকায় বিক্রি করে দেন। বাকি অংশ অফিসে ফেলে রাখেন। শেষ পর্যন্ত গাছের অংশ টুকু অফিসে ভেতর রাখলেও তা উইপোকার খাদ্য হয়।

সামাজিক বনায়নের টাকা উঠাতে অনেককে পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। রাজনগর মীরের বাড়ির সৈয়দ রেজাউল হোসেন রাজু সামা ৃ।জিক বনায়নের টাকা উঠাতে দিনের পর দিন ধরর্না দিচ্ছেন তার অফিসে।

Manual8 Ad Code

Manual4 Ad Code

এবিষয়ে রেঞ্জার রাম কৃষ্ণ ঘোষ সরেজমিনে প্রতিবেদককে বলেন, আমার এখান থেকে সাতক্ষীরা গাছ যাবে কেন। আর গাছ কাটলে আশপাশের বাসার মানুষ জানার কথা। কেউ জানেন। গাছের মুড়া( নীচের অংশ) দেখিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এই ধরনের মুড়া অনেক এখানে আছে।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো: হুমায়ুন কবির বিষয়টি তদন্ত কররার পুর্বে মন্তব্য করেন, মৌলভীবাজার থেকে একটি শাল গাছ অবৈধ ভাবে কেটে সাতক্ষীরা গেল। জানেন সাতক্ষীরা কত দুরত্ব। কোন কাগজপত্রই ছাড়া এটা কেরিং করা কি সম্ভব কিনা। এই গাছটির কাটার বিষয়ে কেউ আমাকে বলেনি। শাল গাছের বিষয়টি আমার বিশ্বাস হচ্ছে না।