মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ফুলদী নদী থেকে গলায় সালোয়ার বাঁধা অবস্থায় হালিমা আক্তার (১৮) নামে এক তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।
Manual5 Ad Code
শুক্রবার (২৯ মে) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে গজারিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ওসি শরজিৎ কুমার ঘোষ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার টেংগারচর ইউনিয়নের বড় ভাটেরচর গ্রাম সংলগ্ন কাজলা নদীর তীর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে নদীতে একটি মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। খবর ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় জমে। পরে গজারিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া যুবতীর পরনে ছিল কামিজ।
স্থানীয় বাসিন্দা কাউসার হোসেন বলেন, সকালে নদীতে মরদেহটি ভাসতে দেখা যায়। মেয়েটিকে এলাকার কেউ চিনতে পারেনি। গলায় সাদা রঙের সালোয়ার বাঁধা ছিল। প্রাথমিকভাবে দেখে ধারণা করা হচ্ছে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হতে পারে। পরে জোয়ারের টানে মরদেহটি এখানে ভেসে এসেছে।
Manual5 Ad Code
এদিকে মরদেহ উদ্ধারের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নিহতের পরিবারের সদস্যরা নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।
Manual1 Ad Code
নিখোঁজের ৩ দিন পর পুকুরে মিললো সিএনজি চালকের মরদেহনিখোঁজের ৩ দিন পর পুকুরে মিললো সিএনজি চালকের মরদেহ নিহতের বড় বোন বৃষ্টি জানান, গত ২৬ মে বিকেলে হালিমা তার বাড়িতে যাওয়ার কথা বলে জামালদীতে বাবার বাড়ি থেকে বের হন। কিন্তু ওইদিন তিনি সেখানে পৌঁছাননি। পরে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। নিখোঁজের তিনদিন পর শুক্রবার তার মরদেহ উদ্ধার হয়।
গজারিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শরজিৎ কুমার ঘোষ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরিচয় শনাক্তসহ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। তথ্য সুএঃ ইত্তেফাক