শুক্রবার (২৯ মে) রাত সাড়ে ১১ টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তারা ফিরতে পারেনি। তাদেরকে উদ্ধারে পুলিশ ঘটনাস্থল গিয়েছে। জোয়ার এলেই এসব পর্যটককে ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছে রামগতি থানা পুলিশ।
Manual3 Ad Code
এর আগে বিকেলে কয়েকটি ইঞ্জিন চালিত নৌকাযোগে পর্যটকরা চরে ঘুরতে যায়। সেখানে পৌঁছানোর পরপরই ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। নদী উত্তাল থাকায় ঝুঁকিতে আর তাদের ফেরা হয়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের সময় লক্ষ্মীপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে মেঘনা নদীর বেঁড়িবাঁধে ঘুরতে আসেন অনেকে। এই বিনোদন কেন্দ্রটি মিনি কক্সবাজার হিসেবেও পরিচিত। এরমধ্যে নদী বেষ্টিত চরেও অনেকে ঘুরতে যান। শুক্রবার বিকেলেও কয়েকটি ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে করে মানুষজন ঘুরতে গেছে। এরমধ্যে নারী-পুরুষ ও শিশুরাও রয়েছে। তারা যাওয়ার পথে অথবা যাওয়ার পরই প্রচন্ড ঝড় হয়। এরমধ্যে নদীও উত্তাল হয়ে উঠে৷ এতে ঘুরতে যাওয়া মানুষজন সেখানে আটকা পড়েন।
রাত ১১ টার দিকে রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, চরে দেড়শতাধিক মানুষ ঘুরতে গিয়ে আটকা পড়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন নদীতে ভাটা, জোয়ারের অপেক্ষা করা হচ্ছে। জোয়ার এলে তাদেরকে নিয়ে আসা হবে।
Manual3 Ad Code
এ ব্যাপারে বক্তব্য জানতে রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপাকে কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। তথ্য সুএঃ ঢাকা পোস্ট