হাসিনা রাজনীতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন? কে ধরবেন দলের হাল? ‘দ্য ওয়াল’-কে কী বললেন আওয়ামী লিগ নেত্রী
হাসিনা রাজনীতি থেকে বিদায় নিচ্ছেন? কে ধরবেন দলের হাল? ‘দ্য ওয়াল’-কে কী বললেন আওয়ামী লিগ নেত্রী
editor
প্রকাশিত মে ২৮, ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
রিফাইন্ড বা বিশুদ্ধ আওয়ামী লিগ (Refind Awami League) গঠনের প্রস্তাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বাংলাদেশে। বলা হচ্ছে, শেখ হাসিনা দলের সভাপতির পদ ছেড়ে দেবেন। দলীয় পদ থেকে সরে যাবেন ভাবমূর্তি খারাপ নেতারাও। আওয়ামী লিগের হাল ধরবেন তুলনামূলকভাবে স্বচ্ছ ভাবমূর্তির নেতারা।
বাংলাদেশে প্রস্তাবটি কপিরাইট সেনা প্রধান ওয়াকার উজ জামানের (Waqae Uz Zaman, Chief of Bangladesh Army)। আওয়ামী লিগ যাঁকে ২০২৪-এ শেখ হাসিনার সরকার পতনের নেপথ্যের অন্যতম মীরজাফর বলে চিহ্নিত করেছে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান সংগঠক তথা বর্তমান সাংসদ হাসনাৎ আবদুল্লাহ ভোটের আগে দাবি করেছিলেন ঢাকা সেনা সদরের বৈঠকে হাসিনা মুক্ত রিফাইন্ড আওয়ামী লিগকে নির্বাচনে অংশ নিতে দিতে সেনা প্রধান ওয়াকার উজ জামান তাঁদের প্রস্তাব দেন। বহু আলোচিত সেই বৈঠকের আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়েছিলেন সেনা প্রধান। রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলের খবর, সেনা প্রধানকে হাসিনা মুক্ত আওয়ামী লিগ তৈরির অ্যাসাইনমেন্ট দিয়েছিল মার্কিন ডিপ স্টেট (US deep State)।
দায়মুক্তি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হাসিনা যেভাবে দলের তৃণমূল স্তরের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন।
এরপর পদ্মা-মেঘনা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। আওয়ামী লিগকে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অংশ নিতে না দিলেও শেখ হাসিনার দল অটুট। হাসিনার নেতৃত্ব নিয়েও দলের কেউ প্রশ্ন তোলেনি।
Manual5 Ad Code
শেখ হাসিনা বিহীন নতুন আওয়ামী লিগ তৈরির সেই পুরনো প্রস্তাবটি এমন সময় ফের আলোচনায় এসেছে যখন ফাঁসির সাজা মাথায় নিয়ে দেশে ফেরার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। স্বয়ং শেখ হাসিনা এই বিষয়ে কী বলছেন?
দায়মুক্তি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হাসিনা যেভাবে দলের তৃণমূল স্তরের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন।
একাম্ত সাক্ষাৎকারে তাঁর কাছে ‘দ্য ওয়াল’ এর প্রশ্ন ছিল, আপনার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় মাস কয়েক আগে একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, আপনি দেশে ফিরে গিয়ে রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চান এবং দলের সভাপতি পদ থেকেও সরে দাঁড়াবেন। এই বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী? পুত্র কি মায়ের কথাই বলেছেন?
জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘জয় যেটা বলেছে, ঠিক বলেছে। আমি নিজেও তাই মনে করি। মানুষের জীবনে অবসর একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। আওয়ামী লিগের বিগত দুটি জাতীয় কাউন্সিলেও আমি নতুন নেতৃত্বকে দায়িত্ব গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছিলাম। তবে বর্তমানে বাংলাদেশের জনগণ যে ভয়াবহ সময়ের ভিতর দিয়ে যাচ্ছে তাদেরকে ছেড়ে আমি কীভাবে বিশ্রাম নেব? এই দুঃসময়ে দেশের জনগণকে আমি ছেড়ে যেতে পারি না।’ (How can I rest while the people of Bangladesh are currently passing through such harrowing times? I cannot abandon the people of the country during this period of adversity.)
Manual5 Ad Code
বাংলাদেশের জনগণের নিরাপত্তা, তাঁদের উন্নত জীবনমান ও অর্থনৈতিক মুক্তি, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন, সকলের সমানাধিকার এবং আওয়ামী লিগের তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আগামী দিনের সাফল্য নিশ্চিত করেই আমি অবসর নেব। সাধারণ মানুষের ভাগ্য নিয়ে দেশবিরোধী কোন গোষ্ঠী যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে আমি সেটা নিশ্চিত করব। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বলীয়ান নীতি-আদর্শভিত্তিক একটি সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা বিনির্মাণ নিশ্চিত করে তবেই আমি বিশ্রাম নেব। (I will ensure that no anti-state group is able to toy with the destiny of the common people. I will not rest until I have ensured the realization of a happy, prosperous ‘Sonar Bangla’—a Golden Bengal—founded upon principles and ideals, and imbued with the spirit of the Liberation War.)
‘দ্য ওয়াল’ নির্দিষ্ট সূত্র থেকে জানতে পেরেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ ইউরোপের কিছু দেশ আওয়ামী লিগের পুনর্বাসনের শর্ত হিসেবে শেখ হাসিনাকে সভাপতির পদ থেকে সরে যাওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। শেখ পরিবারের কেউ দলের নেতৃত্বে থাকুক, সেটাও তারা চায় না। এই প্রস্তাবও আসলে হাসিনা ও শেখ পরিবারকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার পরিকল্পনারই অংশ এবং এর পিছনে বালাদেশের অপর দুই প্রথমসারির দল বিএনপি এবং জামায়াতে ইসলামির মদত আছে বলে আওয়ামী লিগের অভিযোগ।
সাক্ষাৎকারে এই ব্যাপারে হাসিনার অভিমত জানতে চাওয়া হয়েছিল। জবাবে তিনি বলেন, ‘দেখুন জনগণের ভোটে আমি পাঁচবার প্রধানমন্ত্রী ও দু’বার বিরোধী দলীয় নেতা হয়েছি। আমার নিজের চাওয়া পাওয়ার তো আর কিছু নেই। ১৯৮১ সালে আমি আওয়ামী লিগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলাম। তারও আগে ১৯৬২ সালে স্কুলে পড়ার সময়ে তৎকালীন সামরিক স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আমার রাজনীতিতে হাতেখড়ি। তারপর থেকে বাংলাদেশের প্রতিটি স্বাধিকার সংগ্রামে আমি অংশগ্রহণ করেছি। আমার জীবনের প্রায় পুরোটা আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে উৎসর্গ করেছি।
হাসিনা আরও বলেন, ‘আওয়ামী লিগ একটি গণতান্ত্রিক দল। এই দলের নেতৃত্ব গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কাউন্সিলের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়। আমি নিজেও কাউন্সিলের মাধ্যমেই সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি। অতএব নেতৃত্বে কে থাকবে, কে থাকবে না সেই সিদ্ধান্ত গ্রহণের এক্তিয়ার কেবলমাত্র দলীয় কাউন্সিল তথা আওয়ামী লিগের নেতাকর্মীদের। এই ক্ষেত্রে বাইরের কারও পরামর্শ অপ্রাসঙ্গিক।’
Manual3 Ad Code
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘আওয়ামী লিগ বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের দল। জন্মলগ্ন থেকে জনগণের ভালোবাসাকে পুঁজি করে এই দল তাঁদের কার্যক্রম পরিচালনা করেছে, তাঁদের মতামতের ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়েছে। তাই আওয়ামী লিগের সকল জবাবদিহিতাও কেবলমাত্র দলীয় কর্মী-সমর্থক ও জনগণের কাছে। অন্য কারও প্রেসক্রিপশনে চলা আওয়ামী লিগের নীতিতে নেই।’
তিনি বলেছেন, ‘গণতন্ত্রের অন্যতম মূল স্তম্ভ হচ্ছে স্বাধীনভাবে নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণের অধিকার। যারা একই সঙ্গে গণতন্ত্রের কথা বলেন, আবার কোনও দলের নেতৃত্ব নির্ধারণ করে দিতে চান তাঁদের উদ্দেশ্যে বলব, এটা গণতন্ত্র নয়। এটি নতুন ধরনের উপনিবেশবাদ। বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে রক্ত দিয়ে নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও ভাগ্য নির্ধারণের অধিকার অর্জন করেছে। তারা কোন নতুন উপনিবেশবাদ চায় না। শুধু আওয়ামী লিগ নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কোন বিষয়েই বাইরের হস্তক্ষেপ কাম্য নয়। (One of the fundamental pillars of democracy is the right to make one’s own decisions independently. To those who simultaneously advocate for democracy yet seek to dictate the leadership of a political party, I say this: this is not democracy. It is a new form of colonialism. Through the shedding of blood in 1971, the people of Bangladesh earned the right to make their own decisions and determine their own destiny. They do not desire any new form of colonialism. External interference is unwelcome not only in matters concerning the Awami League but in any aspect of Bangladesh’s internal politics.)
আওয়ামী লিগ সূত্রের খবর, হাসিনা দলের সভাপতি থাকছেন তাই-ই শুধু নয়, সেই দায়িত্ব পালন করতে কর্ম-ব্যস্ততায় তিনি তিনি ফিরে গিয়েছেন ১৭ বছর আগে যখন বাংলাদেশের মাঠে-ময়দানে তৃণমূল স্তরের কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে নিয়মিত দেখা হত, কথা হত তাঁর। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দলে জনসংযোগের এক অভিনব অবলম্বন করেছেন তিনি। প্রতি শনিবার তিনি দলের ফেসবুকে ‘দায়মুক্তি’ নামে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। এইঅনুষ্ঠানে তিনি ২০২৪-এর ৫ অগস্টের আগে-পরে জুলাই আন্দোলনকারী এবং বিএনপি, জামাত এবং সেনা-পুলিশের আক্রমণে নিহতদের পরিবার এবং আহতদের সঙ্গে কথা বলেন। তাদের সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি চিকিৎসা এবং অন্যান্যভাবে সহায়তার ব্যবস্থা করেন। গত শনিবার সেই অনুষ্ঠানের ৭৫ তম পর্ব প্রচারিত হয়েছে।
এছাড়া প্রতিদিন হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, সিগন্যালের গড়ে দশটির মতো গ্রুপে তিনি জাতীয়, জেলা, উপজেলা, ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলেন। নেত্রীর জনসংযোগের দায়িত্বপ্রাপ্তদের দাবি, ইতিমধ্যে তৃণমূল স্তরের হাজারের বেশি কর্মী-সমর্থকের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। এছাড়া তাঁর ভার্চুয়াল সভাগুলিতে এখনও পর্যন্ত কোটির কাছাকাছি মানুষ সংযুক্ত হয়েছেন। লন্ডনে থাকার সময় তারেক রহমানও ভার্চুয়াল মাধ্যমে দল পরিচালনা করেছেন। তবে বিএনপি’র সাধারণ কর্মী-সমর্থকেরা তাঁর সঙ্গে কথা বলার সুযোগ পেতেন না। দলের জনসভায় তিনি ভার্চুয়ালি যুক্ত হলে বড় পর্দায় তাঁকে দেখা যেত। অন্যদিকে দেশের পাঁচবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, দলের ৪৫ বছরের সভাপতি হাসিনা সরাসরি কথা বলছেন তৃণমূল স্তরের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে। পাশাপাশি হাসিনার নির্দেশে আওয়ামী লিগের নানা স্তরের নেতারাও নিজের নিজের এলাকায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন।
এই বিষয়ে দ্য ওয়াল তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিল, দায়মুক্তি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আপনি রাজনৈতিক জনসংযোগের এক অভিনব পন্থা অবলম্বন করেছেন। পাঁচবারের প্রধানমন্ত্রীর, দলের সভাপতির একেবারে ওয়ার্ড, ইউনিয়ন স্তরের নেতাকর্মীর সঙ্গে সেতুবন্ধনের এমন নজির নেই। আপনি এই বিষয়টি কীভাবে উদ্ভাবন করলেন?
শেখ হাসিনা জবাবে বলেছেন, ‘আমি সর্বদাই আমার কর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করি। ১৯৮১ সালে সব হারনো আমি যখন দেশে ফিরেছিলাম তখন এই কর্মীরাই ছিল আমার স্বজন, আমার আত্মার আত্মীয়। তখনও আমি দেশের এক প্রান্ত থেকে আর এক প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছি, কর্মীদের কথা শুনেছি, তাঁদের ঐক্যবদ্ধ করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম করেছি। কর্মীদের সঙ্গে এই নিবিড় যোগাযোগ জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান আমাকে শিখিয়েছেন। তিনিও সারাদেশে ঘুরে সাড়ে সাত কোটি বাঙালিকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন।’
তিনি বলেন, ‘২০২৪ এর ৫ অগস্ট মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে দেশবিরোধী গোষ্ঠী বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতা দখল করে। আওয়ামী লিগের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের উপর শুরু হয় অবর্ণনীয় নির্যাতন। পাঁচ থেকে ছয় লাখ মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রীয় শোষন ও নির্যাতন থেকে রক্ষা পায়নি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মুক্তিযোদ্ধা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, আইনজীবী, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী, পেশাজীবী, সরকারি-বেসরকারী কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও। গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা এমনকী রাজধানী ঢাকার অলিতে গলিতে সৃষ্টি করা হয়েছে ত্রাসের রাজত্ব। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্রগতিশীল জনগোষ্ঠীর উপর এমন নির্মম নির্যাতনের নজির বাংলাদেশের ইতিহাসে আর নেই।’
আওয়ামী লিগ নেত্রীর অভিযোগ, এই কাজে রাষ্ট্রযন্ত্রকে সর্বতোভাবে ব্যবহার করেছে ইউনুসের অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকার। খোদ ইউনুসই প্রতিনিয়ত মব উস্কে দিয়েছেন। একদিকে চালানো হয়েছে জুলুম নির্যাতন, অন্যদিকে যারা এই অন্যায়ের সঙ্গে জড়িতে তাদের দেওয়া হয়েছে ইন্ডেমনিটি। বিচারব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছে। নির্যাতিতদের আইনি প্রতিকারের ন্যূনতম সুযোগটুকুও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। দেশে এক নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি ও ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অবৈধ অন্তর্বর্তী সরকার। সাজানো নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নতুন সরকার গঠিত হলেও এখন পর্যন্ত সেই অন্যায়ের ধারাবাহিকতা চলমান।’
Manual6 Ad Code
তিনি বলেন, এই অসহায় মানুষদের কথা শোনার মতো কেউ ছিল না। দেশের গণমাধ্যমের কন্ঠরোধ করে এইসব অন্যায়কে আড়াল করা হয়েছে। দুঃখজনক হলেও সত্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম, কিংবা মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানসমূহও এই বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। এই নির্যাতিত নিপীড়িত জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোকে আমি আমার ঐকান্তিক দায়িত্ব বলে মনে করি। তাই দায়মুক্তি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমি তাঁদের কষ্টের কথা শুনছি, তাঁদের অভিযোগের কথা শুনছি এবং সাধ্যমতো তাঁদের দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি।