নিরাপত্তাহীনতায় আতঙ্কে বসবাস করছে মানুষ : জি এম কাদের
নিরাপত্তাহীনতায় আতঙ্কে বসবাস করছে মানুষ : জি এম কাদের
editor
প্রকাশিত মে ২৮, ২০২৬, ০৫:৫৪ অপরাহ্ণ
Manual8 Ad Code
অনলাইন ডেস্ক
Manual2 Ad Code
দেশের বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের বলেছেন, দেশে প্রতিনিয়ত খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই ও নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়েই চলেছে। এতে দেশের মানুষ নিরাপত্তাহীনতার কারণে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।
Manual6 Ad Code
বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুরে তিন দিনের সফরে রংপুর নগরীর এরশাদ নগরে অসহায় মানুষের মাঝে কোরবানির পশু বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। পরে নগরীর মুন্সিপাড়া কবরস্থানে গিয়ে তার বাবার কবর জিয়ারত করেন।
Manual3 Ad Code
জি এম কাদের বলেন, ‘দেশের মানুষ এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই ও সহিংসতার ঘটনা ঘটছে।
Manual6 Ad Code
সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীকে আরো কঠোর, দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারকে দ্রুত বাস্তবমুখী ও জনমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাই।
জাপা চেয়ারম্যান আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ‘এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরো ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
দেশের শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।’
নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচন ছিল একটি ‘মাস্টার প্ল্যানের’ অংশ এবং আগে থেকেই ঠিক করা হয়েছিল কে জিতবে। এটা নির্বাচন হয়নি। আমাদেরকে একটি আসনও দেওয়া হবে না, এমনকি জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে—এগুলোও ছিল পূর্বপরিকল্পিত। ১৯৯০ সালের সবচেয়ে খারাপ নির্বাচন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
যেখানে সরকার ও বিরোধীদলের অসন্তোষ রয়েছে।
সংবিধান নিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি কাঠামো ও নিয়ম-কানুন প্রয়োজন। দেশ অবশ্যই সংবিধানের আলোকে চলতে হবে। সংবিধান পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে তা জনগণের মতামতের ভিত্তিতে করতে হবে। কিন্তু হঠাৎ করে সংবিধান বা আইনের বাইরে গিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
এ সময় জিএম কাদেরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রংপুর সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টি স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।