আজ শনিবার, ১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আমি আমার দ্বিতীয় বাড়িতে এসেছি: আরব আমিরাতে মোদি

editor
প্রকাশিত মে ১৬, ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ণ
আমি আমার দ্বিতীয় বাড়িতে এসেছি: আরব আমিরাতে মোদি

Manual1 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক

Manual8 Ad Code

সংযুক্ত আরব আমিরাতকে (ইউএই) নিজের ‘দ্বিতীয় বাড়ি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে ভারত সবসময় আমিরাতের পাশে থাকবে। পাঁচ দেশীয় সফরের প্রথম ধাপে আবুধাবি পৌঁছানোর পর তিনি এই মন্তব্য করেন।

আবুধাবি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে মোদিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। সেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করা হয়। বিমানবন্দর থেকেই দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে প্রতিনিধিদল পর্যায়ের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শুরু হয়, যেখানে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি স্থান পায়।

Manual7 Ad Code

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠককালে নরেন্দ্র মোদি গভীর আবেগ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি আমার দ্বিতীয় বাড়িতে এসেছি। এই অনুভূতিটি আমার জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেন, আগামী দিনগুলোতে ভারত ও আমিরাত প্রতিটি ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করবে এবং যেকোনো সংকটে আমিরাতের পাশে দাঁড়াতে ভারত বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। দুই দেশের এই অভূতপূর্ব দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক কেবল বাণিজ্যিক স্বার্থে নয়, বরং পারস্পরিক বিশ্বাস ও ঐতিহাসিক বন্ধনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় চলমান তীব্র যুদ্ধ ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ পরিস্থিতি এখন আর কোনো আঞ্চলিক সংকট নয়, বরং এটি সমগ্র বিশ্বের অর্থনীতি ও স্থিতিশীলতাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে।

মোদি জোর দিয়ে বলেন, এমন একটি জটিল ও সংবেদনশীল সময়ে সকল পক্ষকে সর্বোচ্চ ধৈর্য ধারণ করতে হবে। যেকোনো আন্তর্জাতিক উত্তেজনা ও সংঘাতের স্থায়ী এবং গ্রহণযোগ্য সমাধান কেবল আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

Manual7 Ad Code

নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, মোদির এই সফরটি ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে একটি বড় কূটনৈতিক প্রয়াস। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং কৌশলগত অংশীদারিত্ব বাড়াতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে চলমান বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল সংকটের মধ্যে কীভাবে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য নির্বিঘ্ন রাখা যায়, তা নিয়ে দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বিস্তারিত আলোচনা করেন। বৈঠক শেষে মোদি তার এই সফরের অভিজ্ঞতাকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেন।

Manual2 Ad Code

সূত্র: ইন্ডিয়া ডট কম