আজ রবিবার, ১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিয়ের জন্য চীনা তরুণী মৌলভীবাজারে

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ০১:৩৪ অপরাহ্ণ
বিয়ের জন্য চীনা তরুণী মৌলভীবাজারে

Manual6 Ad Code

তিমির বনিক,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

Manual6 Ad Code

মৌলভীবাজারের রাজনগরের যুবক সুকান্ত সেনকে বিয়ে করতে বাংলাদেশে এসেছেন চীনা তরুণী ক্রিস হুই।

Manual6 Ad Code

তারা গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯শে ফেব্রুয়ারি) প্রথমে বিমানযোগে ঢাকায় আসেন। এরপর হেলিকপ্টারে করে নিজ বাড়ি, রাজনগর উপজেলার তারাপাশা টিকর পাড়া গ্রামে কনেকে নিয়ে আসেন সুকান্ত। এতে করে বর সুকান্তের বাড়িতে উল্লাসে মেতেছেন আত্মীয় স্বজনরা।

Manual2 Ad Code

তাদের গ্রামের বাড়িতে ২১, ২২ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি তিনদিনের বিয়ের আয়োজন রয়েছে। এই ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে।

Manual4 Ad Code

ভিন্ন দেশের সংস্কৃতি ও ভাষার মানুষের মধ্যে প্রেম ও বিয়ের জন্য হেলিকপ্টার নিয়ে এলাকায় আসায় স্থানীয় কৌতুহলী শত শত মানুষ ভীড় জমান। তাদের আগমন উপলক্ষে বরের পুরো বাড়ি রব রব সাজে সাজানো হয়েছে।

সুকান্ত চীন প্রবাসী। তিনি টিকরপাড়ার সেন বাড়ির প্রয়াত স্বপন কুমার সেন ও শিল্পী রানি সেনের ছেলে। অপর দিকে ক্রিস হুই চীনের সাংহাইয়ের বাসিন্দা।

হবু বর-কনেকে একনজর দেখতে গ্রামের অনেকেই আসেন। বিদেশি তরুনীর সাথে নিজ গ্রামের ছেলের বিয়ে নিয়ে উচ্ছ্বশিত তারা।

জানা যায়, ২০১৮ সালে সুকান্ত চীনে যান, সেখানে মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করার পর পরিচয় হয় ক্রিসের সাথে। পরে তারা একসাথে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালে সেখানে তারা বিবাহের রেজিষ্ট্রেশন সম্পন্ন করেন। বাংলাদেশ বিবাহ অনুষ্ঠানে ক্রীসের সাথে তারা মা বাবা ও চাচা সঙ্গে এসেছেন।

ক্রিস হুই বলেন, “আজ আমার জন্য এটি বিশেষ মুহূর্ত। আমি আজ বাংলাদেশে এসেছি আমার বর সুকান্ত সেনের সাথে। আমার মা বাবাও এসেছেন। আমাদের ভালোবাসার গল্প অন্যদিন শুনাব। এখানে এসে খুবই উচ্ছ্বশিত আমি।”

সুকান্ত বলেন, “২০১৮ সালে আমি চীনে যাই। সেখানে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করি। পরে সেখানে চাকুরীতে যোগদান করি। ৩ থেকে ৪ বছর পর ক্রিস এর সাথে পরিচিত হই। এরপর একজন অন্যজনের ওপর ভালো লাগা তৈরি হয়। তারপর আমাদের বিশ্বাস তৈরি হয়। ২০২৩ সালে আমরা একসাথে ব্যাবসা শুরু করি। এখন চীনে আমাদের একটা কোম্পানি আছে। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সেখানে বিবাহের রেজিষ্ট্রেশন করি আমরা। এরপর আমরা পরিকল্পনা করি কখন বাংলাদেশে আসব। অবশেষে আমরা দেশে এসে খুবই আনন্দিত। আমার পরিকল্পনা ছিলো ভিন্ন কিছু করার এ জন্য ঢাকা থেকে সরাসরি হেলিকপ্টারে বাড়িতে এসেছি। এতে আমার স্ত্রীও উচ্ছ্বশিত ছিলেন। একই সাথে আমার এলাকার সবাই আনন্দিত।”